
তুমুল বৃষ্টি ছিল ক’দিন। গতকাল থেকে ভাদ্র মাসের প্রখর রোদ। একটানা কয়েকদিনের বৃষ্টির পর ভালো লাগছে।
অনেক বছর পরে ঈদের দিনে দেশের বাড়িতে কোরবানির গরু, ছাগল কাটা। মাংস বিতরণ,মানুষের আনাগোনা। ছোটবেলার স্মৃতি মনে পরে যাচ্ছে।
রাশি রাশি শাড়ি, লুঙ্গি খুচরো নোট, খুচরো পয়সা সাজানো থাকত। আমাদের বলা থাকত কাকে কোনটা দেয়া লাগবে।বাবার বিশাল লিস্ট একটা একটা করে কাটা হতো। ছোট হয়ে আসত শাড়ি, লুঙ্গির পাহাড়।

মায়ের রসুই ঘরে কত রকমের পিঠাপুলির আয়োজন থাকত। কয়েকদিন ধরে মশলা কুটা,শুকানো,তুলে রাখা। দারুণ ঘ্রাণ ছড়িয়ে পরত। এছাড়াও চাল কুটে গুড়ো করত কয়েকজন মিলে। পিঠা বানাত কয়েকজন মিলে। রাখা হতো ঝুড়ি ভর্তি করে।
নিজেরা যত না খেতাম তার চেয়ে বিলানো হতো বেশি। ভালো লাগত, মানুষ খাওয়াতে। রমরমা, হৈ চৈ আনন্দ। যদিও অনেক পরিবর্তন সেই সময়ের চেয়ে এখন। তারপরও সব কিছু চলছে নিজের মতন পরিবর্তনশীল সময়ে। বাবা মা বড় অভিভাবক কেউ নেই। আমরাই অভিভাবক। বাচ্চাদের নিয়ে ভাইবোন ভাবি মজা করছি, ঘুরছি, খাচ্ছি সবাই মিলে।

