26.4 C
Toronto
মঙ্গলবার, মে ২১, ২০২৪

টরন্টোর বাজেট ঘাটতিকে গুরুতর সমস্যা বললেন চাউ

টরন্টোর বাজেট ঘাটতিকে গুরুতর সমস্যা বললেন চাউ
নগরীর বিপুল আর্থিক ঘাটতির মোকাবেলার প্রতিশ্রুতি নিয়ে জ্যেষ্ঠ সিটি কর্মী ও কাউন্সিলরদের সঙ্গে প্রথম বৈঠক করলেন টরন্টোর মেয়র নির্বাচিত অলিভিয়া চাউ

ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি ও আবাসন এবং নগরীর বিপুল আর্থিক ঘাটতির মোকাবেলার প্রতিশ্রুতি নিয়ে জ্যেষ্ঠ সিটি কর্মী ও কাউন্সিলরদের সঙ্গে প্রথম বৈঠক করলেন টরন্টোর মেয়র নির্বাচিত অলিভিয়া চাউ। সোমবার রাতে আনা বাইলাওকে হারিয়ে টরন্টোর মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন চাউ।

মঙ্গলবার বিকালে বৈঠকের জন্য সিটি হলে প্রবেশের সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ভিন্ন ভিন্ন কাউন্সিলর ও জ্যেষ্ঠ সিটি কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ নেওয়ার অপেক্ষায় আছি আমি। আমি আগেভাগেই কাজ শুরু করতে চাই। কারণ, অনেক কাজ করতে হবে।

- Advertisement -

শপথ গ্রহণের আগে নির্বাচিত মেয়র সাধারণত পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ সময় পেয়ে থাকেন। কিন্তু চাউ এখন থেকে মাত্র দুই সপ্তাহ পর ১২ জুন শপথ নিতে চান। সেই সঙ্গে কাজে গতি আনতে বৈঠকও শুরু করে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমি এখানে বিভাগীয় প্রধানদের কথা শুনতে এসেছি। সেই সঙ্গে তাদের লক্ষ্য সম্পর্কেও জানতে চাই। নগরীর জন্য তারা কী ধরনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন সে ব্যাপারেও জানতে চাই। পাশাপাশি মেয়রের কার্যালয় থেকে তারা কী ধরনের সহায়তা চান সেটা জানাও দরকার। সুতরাং আমি প্রথমে তাদের কাছ থেকে শুনতে চাই। এরপর কাউন্সিলরদের কাছ থেকেও শুনবো।

চাউ বলেন, আমার অগ্রাধিকার খুবই পরিস্কার। আমার প্রচারণাও ছিল জীবনযাত্রাকে অধিক স্বচ্ছন্দ করে তোলা। সেই সঙ্গে নগরীকে আরও বেশি নিরাপদ করে তোলা। সিটি হলকে আমি ব্যবসায়ী, শ্রমিক সংগঠন, অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এবং সাবেক প্রার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখতে চাই, যাতে করে তারা তাদের মতামত ও ধারণা দিয়ে অবদান রাখতে পারেন। সুতরাং আমার প্রথম কাজ হচ্ছে শোনা ও শিক্ষা নেওয়া। এরপর আমাদের অভিন্ন লক্ষ্যমাত্রায় আমরা কীভাবে পৌঁছাতে পারি সে ব্যাপারে একসঙ্গে কাজ করা।

অলিভিয়া চাউ তার নির্বাচনী প্রচারণার সময় ক্রয়ক্ষমতার পাশাপাশি বিপুল অংকের বাজেট ঘাটতির বিষয়টিও স্বীকার করেন। কোভিড-১৯ মহামারির পর থেকে এই ঘাটতিতে রয়েছে টরন্টো। তিনি বলেন, সিটি কাউন্সিলের সামনে যে বাজেট ঘাটতি তা অত্যন্ত গুরুতর। সাবেক মেয়র জন টরি এ বছর সম্পদ কর ৭ শতাংশ বাড়ানোর পরও এই বাজেট ঘাটতি রয়ে গেছে। আমাকে জ্যেষ্ঠ সিটি কর্মকর্তা ও কাউন্সিলরদের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলতে হবে। এরপর আমরা দেখবো ফেডারেল ও প্রাদেশিক সরকারকে এ ব্যাপারে আমাদের পাশে দাঁড়াতে রাজি করতে পারি কিনা।

This article was written by Sohely Ahmed Sweety as part of the LJI.

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles