11.5 C
Toronto
শুক্রবার, মে ২০, ২০২২

মহামারিতে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে

- Advertisement -
মহামারিতে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে
অন্টারিওর শিক্ষামন্ত্রী স্টিফেন লিচি

মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মহামারি, লকডাউন ও বিধিনিষেধের যে প্রভাব তার অনুধাবন সবেমাত্র শুরু হয়েছে। সেন্টার ফর অ্যাডিকশন অ্যান্ড মেন্টাল হেলথ (সিএএমএইচ) এক সমীক্ষায় এমনটাই বলেছে।

পারিবারিক চিকিৎসক আলানা গোল্ডেন জানুয়ারিতে স্কুল স্বাভাবিকভাবে খোলা রাখার আর্জি জানিয়ে প্রিমিয়ারের প্রতি সম্প্রতি একটি খোলা চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে তিনি বলেছেন, আমি মনে করি মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর প্রভাব ব্যাপক। একটা প্রভাব পড়ছে শিশুদের ভবিষ্যতের ওপর, যেটা নিয়ে আমরা খুব একটা আলোচনা করছি না।

- Advertisement -

ডা. গোল্ডেনের পিটিশনটিতে এরইমধ্যে ৬৩১ জন স্বাক্ষর করেছেন। সংক্রমণ বৃদ্ধি সত্ত্বেও বিশে^র কত সংখ্যক দেশ স্কুল খোলার রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সে বিষয়টিও পিটিশনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড, শিক্ষামন্ত্রী স্টিফেন লেচি ও স্বাস্থ্য বিভাগের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. কিয়েরান মুরকে সম্বোধন করে লেখা চিঠিতে বলা হয়েছে, শিশু ও তরণদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তির হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বেড়ে গেছে। এর মধ্যে ৫৫ শতাংশ খাদ্য প্রতিক্রিয়া ও ৩০ শতাংশ মানসিক সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। জরুরি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য হাসপাতালে আসছে ২৫ শতাংশ।

চিঠিতে স্কুল খোলা রাখার যে আহ্বান জানানো হয়েছে তাতে সমর্থন দিয়েছেন রেবেকা আব্রাহাম। তিনি ও তার স্বামী রেজিস্টার্ড নার্স এবং তাদের পাঁচ সন্তান রয়েছে। মহামারিকে বড় ধরনের যুদ্ধ আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, দুই বছর ধরে আমার মানসিক স্বাস্থ্য চরম অবস্থায় পৌঁছেছে। আমার স্বামীর মানসিক স্বাস্থ্যও খারাপ হয়েছে। একই অবস্থান আমাদের সন্তানদের মানসিক স্বাস্থ্যেরও।

হ্যামিল্টন হেলথ কেয়ারের এই প্রশাসক বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য কতটা প্রভাবিত হয়েছে কয়েক বছর পর আমরা তা বুঝতে পারবো।

মহামারি শুরু হওয়ার পর থেকে উদ্বেগ, বিষণ্ণতা ও আর্থিক দুশ্চিন্তার ওপর নজর রাখছে সিএএমএইচ। এই গ্রীষ্মে এক হাজার একজনের ওপর পরিচালিত প্রতিষ্ঠানটির সাম্প্রতিক সমীক্ষা বলছে, ১৯ শতাংশ মানুষ মাঝারি থেকে গুরুতর উদ্বিগ্নতায় ভুগছেন।

সিএএমএইচের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ডেভিড গ্র্যাটজার বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার কথা বলতে গেলে আমাদের এটা বোঝা দরকার যে, আক্রান্তের সংখ্যা না কমা পর্যন্ত এর শেষ হচ্ছে না। এখন যারা সমস্যায় ভুগছেন, একই সমস্যায় তারা আগামী কয়েক মাস এমনকি কয়েক বছর পর্যন্তও ভুগবেন।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles