
তারা বসে থাকে। তাদের অঞ্চলে কেউ আাসছে কিনা সেই অপেক্ষায় থাকে এবং এসে পড়লে তার ওপর ঝাপিয়ে পড়ে। শুক্রবার একটি ব্ল্যাকবার্ডের আক্রমণের মুখে পড়ার সময় ড্যানিয়েলে লজন ইটোবিকোকে হাঁটছিলেন। তিনি বলেন, মনে হলো প্রচ- গতিতে বাতাস আমার মাথার ওপর দিয়ে চলে গেল এবং আমি ভীষণ ভয় পেয়েছিলাম।
স্টিভ ব্ল্যানচার্ড বলেন, তিনি প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে থাকেন। প্রতিদিনই আমি এ থেকে পরিত্রাণের চেষ্টা করি। এটা এখন আমার জন্য প্রতিদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তালিকা শিহান বলেন, এটা অস্বভাবিক। এ বছর তারা খুবই আগ্রাসী হয়ে উঠেছে।
শিহানের তথ্য অনুযায়ী, কিপলিং এবং ডানডাসের কাছে তাদের ইটোবিকোক নেবারহুডে সব সময়ই ব্ল্যাকবার্ড ছিল। কিন্তু এ বছর তারা অনেক বেশি আগ্রাসী। তার সদর দরজার সামনে একটি বাসা আছে। এ কারণে আমি আমার সামনের দরজাটি ব্যবহার করতে পারি না। আমাকে পাশে লুকিয়ে থাকতে হয়। আমি আমার সন্তানদের প্রতিদিনই স্কুলে যাওয়া-আসার সময় এটা করতে হয়।
নিজের বাসার নিরাপত্তা ক্যামেরার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন শিহান। সেখানে বাড়ির দিকে আসতে থাকা কেউ একজনকে আক্রান্ত হতে দেখঅ যাচ্ছে। বহু ভিডিওতে একটি পাখিকে তাদের মাথার দিকে এগিয়ে আসতে দেখা যাচ্ছে এবং সামনের দরজা থেকে সরে না যাওয়া পর্যন্ত পাখিটি মাথার ওপর ঘুরতে থাকে।
টরন্টো রিজিয়ন অ্যান্ড কনজার্ভেশন অথরিটির আন্দ্রিয়া ক্রেস্টন বলেন, লাল পাখার ব্ল্যাকবার্ড একেবারেই স্থানীয় প্রজাতি। জুনের মাঝামাঝি তাদের প্রজননের সবচেয়ে ভালো সময়। এই সময় ব্ল্যাকবার্ড তাদের অঞ্চল তৈরি করে এবং বাসাগুলো ছানায় ভরে যায়। ছানাগুলোকে রক্ষায় পুরুষ পাখি প্রতিরক্ষায় সক্রিয় থাকে। এটা তারা করে তাদের প্রজাতিটি যাতে টিকে থাকে সে লক্ষ্যে।
ক্রেস্টন বলেন, পাখিগুলো উদ্দেশ্য থাকে শুধুমাত্র তাদের এলাকার হুমকি দূর করা।

