21.3 C
Toronto
বৃহস্পতিবার, মে ২৩, ২০২৪

৬ বাজে অভ্যাসে হীনমন্যতা কাজ করে

৬ বাজে অভ্যাসে হীনমন্যতা কাজ করে
সংগৃহীত ছবি

যখন আপনার মাঝ থেকে প্রেরণাদায়ক বোধ চলে যায় বা কিছু খারাপ লাগা তৈরি হয়, বুঝতে হবে কিছু নেতিবাচক অভ্যাস বাসা বেঁধেছে মনে। এই অভ্যাসগুলো আপনার শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। এখানে ছয়টি নেতিবাচক অভ্যাস তুলে ধরা হয়েছে যেগুলো আপনার মাঝ থেকে প্রেরণা, উদ্দীপনা এবং সতেজতা কেড়ে নেবে।

১. অলস জীবনধারা
কম শারীরিক পরিশ্রম আপনার শরীরের শক্তি কমিয়ে দিতে পারে এবং সামগ্রিকভাবে অসুস্থ বোধ করবেন।
সবসময় বসে থাকা এবং নিষ্ক্রিয় থাকা আপনার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। সেক্ষেত্রে নিয়মিত ব্যায়াম আপনার শক্তি বৃদ্ধি করবে। সেইসঙ্গে মেজাজ ভালো রাখবে এবং জীবনী শক্তি বাড়াবে।

- Advertisement -

২. স্ক্রিনে অতিরিক্ত সময় ব্যয়
স্ক্রিনে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করার ফলে কাজে উৎপাদনশীলতা হ্রাস পায়।
স্ক্রিনের ক্ষতিকের ‘ব্লু লাইট’ আপনার ঘুমের ধরণ পাল্টে দেবে। স্ক্রিন থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকার চেষ্টা করুন।

৩. অপর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস
অপর্যাপ্ত ঘুম একজন ব্যক্তির মেজাজ খিটখিটে করে দেয়। দেহ শক্তি হারাবে ধীরে ধীরে।
বেশি রাত জেগে থাকা, অনিয়মিত ঘুমের সূচি এবং ঘুমানোর আগে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করা আপনার ঘুমের চক্র নষ্ট করে দেবে। তাই অপর্যাপ্ত ঘুম পরিহার করুন।

৪. অস্বাস্থ্যকর খাবার
প্রক্রিয়াজাত খাবার, পরিশোধিত চিনি, অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে আপনি অলস নিষ্ক্রিয়বোধ করতে পারেন। এই খাবারগুলোতে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব রয়েছে যা সামগ্রিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে। ফল, সবজি, গোটা শস্য এবং চর্বিহীন প্রোটিনসমৃদ্ধ সুষম খাদ্য খাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এ ছাড়া চিনিযুক্ত পানীয় এবং অ্যালকোহল গ্রহণ সীমিত করুন।

৫. নিজের সম্পর্কে নেতিবাচক চিন্তাভাবনা
নিজের সম্পর্কে নেতিবাচক চিন্তাভাবনা থাকা আপনার আত্মসম্মানবোধ হ্রাস করবে। ক্রমাগত নিজের সমালোচনা করা, নিজের বিষয়ে সন্দেহ জিইয়ে রাখা আপনার মূল্যবোধে আঘাত হানবে। নিজের প্রতি সহানুভূতিশীল হোন এবং ইতিবাচক চিন্তার অনুশীলন করুন। যা আপনার আত্মসম্মাসন গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে।

৬. সামাজিক বিচ্ছিন্নতা
সমাজ এবং সামাজিক ক্রিয়াকলাপ থেকে দীর্ঘ সময় ধরে দূরে থাকা একাকীত্ব ডেকে আনবে। অন্যদের সাথে যোগাযোগ রাখা আমাদের মঙ্গলের জন্য অপরিহার্য। বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের সাথে সুন্দর সম্পর্ক রাখুন এবং সামাজিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করুন। অর্থপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং বজায় রাখা আপনার জীবনকে সুন্দর করবে।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles