24.5 C
Toronto
শুক্রবার, জুলাই ১৯, ২০২৪

দর্শনা বণিককে কুপ্রস্তাবের অভিযোগ, যা বললেন আব্দুল্লাহ জহির বাবু

দর্শনা বণিককে কুপ্রস্তাবের অভিযোগ, যা বললেন আব্দুল্লাহ জহির বাবু
আব্দুল্লাহ জহির বাবু ও দর্শনা বণিক

চিত্রনাট্যকার আব্দুল্লাহ জহির বাবু কুপ্রস্তাব দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভারতীয় বাংলা সিনেমার চিত্রনায়িকা দর্শনা বণিক। এ প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ‘লিপস্টিক’ সিনেমা থেকে বাদ পড়েছেন এই অভিনেত্রী। বিষয়টি নিয়ে জোর চর্চা চলছে দুই বাংলায়।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে দর্শনা বণিক ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘আমার সঙ্গে লিপস্টিক সিনেমার চিত্রনাট্যকারের কথা হয়েছিল। প্রযোজকের সঙ্গে আমার কখনো কথা হয়নি। চিত্রনাট্যকারই আমাকে জানিয়েছিলেন, প্রযোজক বলেছেন সিনেমায় সই করানোর পর দর্শনাকে কোনো রিসোর্টে নিয়ে যাওয়া হবে! এর উত্তরে আমি স্পষ্ট জানিয়ে ছিলাম, আমার এই ধরনের কথা একেবারেই পছন্দ নয়। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের কথা না বলা হয়। জবাবে চিত্রনাট্যকার বলেন, আমি মজা করছিলাম। এরপর আমার সঙ্গে ওদের আর কথা হয়নি। পরে একটি সংবাদমাধ্যম থেকে জানতে পারি, লিপস্টিক সিনেমায় অন্য এক নায়িকাকে সই করানো হয়েছে। কিন্তু আমাকে ওদের পক্ষ থেকে কিছুই জানানো হয়নি।’

- Advertisement -

এ বিষয়ে কথা বলতে সংবাদমাধ্যমটির পক্ষ থেকে আব্দুল্লাহ জহির বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করে। কুপ্রস্তাবের বিষয়টি ব্যাখ্যা করে আব্দুল্লাহ জহির বাবু বলেন— ‘দর্শনা কুপ্রস্তাবের যে অভিযোগ তুলে সবার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট শেয়ার করছেন, তা একেবারেই রসিকতা। এটাকে কেন কুপ্রস্তাব বলা হচ্ছে, তা জানি না। আমি পেশাদার গল্পকার। ৩০ বছর ধরে বাংলাদেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে সুনামের সঙ্গে কাজ করছি। উনি কেন এমন অভিযোগ তুললেন জানা নেই। খবরটা ছড়িয়ে পড়ার পর দর্শনার সঙ্গে আর কোনো কথা হয়নি।’

‘পেশাদার জায়গা থেকে আমরা শিল্পীদের সঙ্গে অনেক ঠাট্টা, রসিকতা করে থাকি। তার মানে এই নয় যে, কোনো প্রস্তাব। যদি আমার কথাটা কুপ্রস্তাবই হতো, তাহলে সেই রেকর্ড আমি রেখে দিতাম না। এতটা পাগল আমি নই।’ বলেন আব্দুল্লাহ জহির বাবু।

‘লিপস্টিক’ সিনেমার চিত্রনাট্যকার আব্দুল্লাহ জহির বাবু। সিনেমাটি থেকে দর্শনা বাদ পড়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আমি লিপস্টিক সিনেমায় অভিনয়ের জন্য দর্শনা বণিকের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। কিন্তু বিদেশ থেকে শিল্পী আনতে হলে, তাদেরকে ডলারে পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছে তা দেখাতে হয়। সেটা দেখাতে না পারলে, সিনেমা সেন্সর বোর্ডে আটকে যায়। আমাদের দেশে বিদেশি মুদ্রার সংকটের জন্য, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার দিয়েছে, এদেশ থেকে কোথাও একশো ডলারও পাঠানো যাবে না। এই নির্দেশের কারণে আমরা যদি দর্শনা বণিককে ভারত থেকে আনতে যাই, সেক্ষেত্রে আনা যাবে না। আমরা বিষয়টি নিয়ে ব্যাংকের সঙ্গে কথাও বলেছি। কিন্তু যখন এই সমস্যার কোনো সমাধান করতে পারিনি, তখন পূজা চেরিকে সিনেমাটিতে কাস্ট করি।’

তবে কারো বিরুদ্ধে দর্শনার কোনো অভিযোগ নেই। তা জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। ওই আলাপের পর সিনেমা থেকে বাদ যাওয়ার খবর পেলাম। ব্যস! ভিসা সংক্রান্ত বা অন্য সমস্যার কথা আমাকে জানানো হয়নি। আমাকে তো পুরো বিষয়টা বলাই যেত, তাই না! এর থেকে বেশি কিছু আর বলতে চাই না।’

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles