ভ্রমণের ক্ষেত্রে এখনও ঝুঁকি রয়েছে

- Advertisement -

অনাবশ্যক প্রয়োজনে দেশের বাইরে না যাওয়ার বৈশ্বিক যে পরামর্শ বৃহস্পতিবারতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ফেডারেল সরকার।

কানাডা গত মাসেই আন্তর্জাতিক অনাবশ্যক ভ্রমণকারীদের জন্য এর সীমান্ত খুলে দিয়েছে। তবে হেলথ কানাডা অনুমোদিত উভয় ডোজ ভ্যাকসিনই নিতে হবে তাদের। পুরোপুরি ভ্যাকসিনেটেড মার্কিনীদের জন্যও আগস্ট থেকে সীমান্ত উন্মুক্ত রয়েছে। ৮ নভেম্বর থেকে অনাবশ্যক কানাডিয়ান ভ্রমণকারীদের জন্য স্থলসীমান্ত খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও।

এদিকে, অনাবশ্যক ভ্রমণ না করার আহ্বান জানিয়ে বৈশ্বিক যে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, ফেডারেল সরকার তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। তবে ভবিষ্যতে বিদেশ ভ্রমণের বিষয়টি কানাডিয়ানদের সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত বলে শুক্রবার সতর্ক করে দিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

- Advertisement -

কানাডার প্রধান জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. তেরেসা ট্যাম বলেন, কোন দেশ ভ্রমণ করা উচিত সে সম্পর্কে কানাডিয়ানরা যাতে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন সে লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশে কোভিড-১৯ এর তীব্রতা সম্পর্কিত আরও সুনির্দিষ্ট তথ্য সরকরা সরবরাহ করবে। মহামারি এখনও যথেষ্ট উজ্জীবিত। ভ্রমণের ক্ষেত্রে এখনও ঝুঁকি রয়েছে। যথেচ্ছভাবে কোথাও যাওয়ার সময় এখনও আসেনি।

অনাবশ্যক প্রয়োজনে দেশের বাইরে না যাওয়ার বৈশ্বিক যে পরামর্শ বৃহস্পতিবারতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ফেডারেল সরকার। তবে ক্রুজ শিপে ভ্রমণ না করার পরামর্শ বহাল রাখা হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারি শুরু হওয়ার পর ২০২০ সালের মার্চে বৈশি^ক ভ্রমণ নির্দেশিকা জারি করা হয়।

- Advertisement -

উপপ্রধান জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হাওয়ার্ড এনজু শুক্রবার বলেন, বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনার আগে কানাডিয়ানদের উচিত নিজেদের বেশ কিছু প্রশ্ন করা। যে দেশে তারা যেতে চান সেখানকার ভ্যাকসিনেশনের হারের দিকেও তাদের তাকানো উচিত। কারণ, কোনো অঞ্চলে গোষ্ঠী সংক্রমণের ঝুঁকি কতখানি এটা তার নির্দেশক। কোনো দেশে গিয়ে তারা ঠিক কি করবেন সে প্রশ্নও কানাডিয়ান ভ্রমণকারীদের নিজেকে করা উচিত। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি সলিটারি নেচার হাইকে যান তাহলে এক কথা। কিন্তু আপনি যদি অনেক মানুষের সঙ্গে বদ্ধ স্থানে ক্রুজ ভ্রমণে যান তাহলে আরেক কথা। এছাড়া যেখানে তারা যেতে চান সেখানকার ব্যক্তিগত সুরক্ষার সংস্কৃতির দিকেও নজর রাখতে হবে তাদের। বিশেষ করে গন্তব্য দেশে মাস্ক পরিধান করা হয় নাকি হয় না। আমরা জানি যে, পরিস্থিতি বিশে^র সবখানে একরকম নয়। এখনও অনেক অঞ্চল আছে যারা কোভিড-১৯ এর ভয়াবহ পরিণতি প্রত্যক্ষ করছে।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles