19.3 C
Toronto
সোমবার, জুন ২৭, ২০২২

নতুন করে কেন এই বলা?

- Advertisement -
নতুন করে কেন এই বলা?
ফাইল ছবি

আজকের সবচেয়ে বড় খবর হলো, ‘সার্বভৌমত্ব’ রক্ষায় রাশিয়াকে সমর্থন করে যাবে চীন: বলেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। নুতন করে কেন এই বলা? আসুন দেখি।

ইউক্রেন দখল করতে সরাসরি আগ্রাসন চালিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনের দুটো রাজ্য নিয়ে এক তরফা আলাদা রাষ্ট্রও ঘোষণা করে দিয়েছে রাশিয়া। ২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রিমিয়া দখল নিয়েছে রাশিয়া। এদিকে তাইওয়ানে যে কোন মুহুর্তে হামলা চালিয়ে সরাসরি দখল নিতে পারে চীন। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের কথিত এলাই সাহেবরা একবার ইউক্রেন একবার তাইওয়ান নিয়ে লম্ফঝম্প করেও কোন কুল কিনারা করতে পারছে না। ফলে এতদিনকার সিরিয়া, ইরাক, ইরান আর আফগানিস্তান দৃশ্যপট থেকে অনেকটা বিদায় নিয়েছে। যার দুটো দিক সকলের সামনে চলে এসেছে। একটি হলো শর্ট টার্ম দিক, অন্যটি হলো লং টার্ম দিক। শর্ট টার্ম দিকের বিষয়টা হলো ইতিমধ্যেই
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো আর এতদিনকার মোড়লদের কথা গ্রাহ্য করছে না। আরব আমিরাত ভারত থেকে গম আমদানি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। ইরানের এতদিনকার কঠোর বৈরী নীতি থেকে আমেরিকা পিছু হটেছে। তুর্কির মত দেশ ন্যাটোতে সুইডেনসহ দুটো নুতন দেশের যোগদানের বিরোধিতা করে স্বাধীন ভুমিকা রাখার চেষ্টা করার সুযোগ পাচ্ছে।

আর লং টার্ম দিকটা হলো, বিগত ২১ বছরে তিল তিল করে গড়ে তোলা তথাকথিত ভুঁয়া ‘সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ নামক বুশ থিওড়ী গলধকরণ করা একনায়ক নেতাদের রাজনীতির মৃত্যু ঘটিয়ে বন্দুকের নল এখন ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে ইউরোপ আমেরিকা রাশিয়া আর চীনের দিকে টার্ণ করেছে। ফলে বিশ্বের যে সব দেশ ও দেশের স্বৈরশাসকেরা বিশেষ করে ইসলামি সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার অজুহাত দেখিয়ে জনগনের ভোটাধিকার ও অন্যান্য জাতীয় সমস্যাগুলোর সমাধান থেকে জনগণকে বন্চিত করে রাখার সুযোগ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে এসেছিল, তা আর থাকছে না। এই সহজ সত্য অনুধাবন করা যাদের পক্ষে যত দ্রুত সম্ভব হবে ততটাই তারা নিরাপদ এক্সিট নিয়ে সরে যেতে পারবেন অন্যথায় নিজেদের তৈরী চোরাবালিতে নিজেরাই ক্রমশ: ডুবে যেতে থাকবেন।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles