8.2 C
Toronto
বুধবার, মে ১৮, ২০২২

সুদের হার বাড়ালো ব্যাংক অব কানাডা

- Advertisement -
সুদের হার বাড়ালো ব্যাংক অব কানাডা - The Bengali Times
ফাইল ছবি

সুদের হারের লক্ষ্য বাড়ালো ব্যাংক অব কানাডা। কোভিড-১৯ মহামারির শুরুতে সুদের হার সর্বনিম্ন নামিয়ে আনার পর প্রথমবারের মতো সুদের হার বাড়ালো কানাডার কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মূল্যস্ফীতিতে লাগাম টানার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়িয়ে দশমিক ৫ শতাংশ করেছে। ১৯৯১ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে মূল্যস্ফীতির হার।

- Advertisement -

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার বৃদ্ধি কানাডার বড় ব্যাংকগুলোকে ঋণের সুদের হার বাড়াতে উদ্বুদ্ধ করবে। এর ফলে ঋণের খরচ বেড়ে যাবে।

ব্যাংক অব কানাডা তাদের মূল সুদের হার জরুরি পরিস্থিতিতে ২০২০ সালের মার্চে দশমিক ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনে। অর্থনীতিতে মহামারির ধাক্কা সামাল দিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তারপর থেকে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং মূল্যস্ফীতিও বৃদ্ধি পেয়েছে। মূল্যস্ফীতি আগের ধারণার চেয়ে বাড়বে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন বলছে। জানুয়ারিতে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়ায় বার্ষিক ৫ দশমিক ১ শতাংশ, তিন দশকের মধ্যে যা সর্বোচ্চ।

ব্যাংক অব কানাডা এর আগে প্রথম প্রান্তিকের জন্য মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস দিয়েছিল ৫ দশমিক ১ শতাংশ। কিন্তু সেটা ছিল রাশিয়ার ইউক্রেন হামলার আগে। এখন জ¦ালানি তেলের দাম বেড়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা নতুন করে বিঘিœত হচ্ছে, যা বিশ^ব্যাপী মূল্যচাপ তৈরি করবে।

ব্যাংক অব কানাডা ধারাবাহিকভাবে বলে আসছিল, উচ্চ মূল্যস্ফীতির যে ঝুঁকি তা কানাডিয়ানরা এরই মধ্যে টের পাচ্ছেন এবং এই উচ্চ মূল্যস্ফীতি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত থাকবে। মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশ লক্ষ্যের মধ্যে আনতে সুদের হারকে ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সুদের হার আরও বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ নীতি নির্ধারকরা। স্ট্যাটিস্টিকস কানাডা বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ২০২১ সালের শেষ তিন মাসে কানাডার অর্থনীতি বার্ষিক ৬ দশমিক ৭ শতাংশ হারে সম্প্রসারিত হয়েছে। ব্যাংক অব কানাডার প্রত্যাশার চেয়েও যা শক্তিশালী। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের প্রবৃদ্ধিও জানুয়ারির প্রাক্কলনের চেয়ে শক্তিশালী হবে বলে মনে করছে ব্যাংক অব কানাডা। যদিও ওইমক্রনের কারণে ওই মাসে ২ লাখের মতো কর্মসংস্থান খোয়া গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, শ্রমবাজারের এ ধাক্কা সাময়িক এবং কতিপয় প্রদেশে জনস্বাস্থ্য বিধিবিধান শিথিল করায় পরিবারগুলোর ব্যয় আরও শক্তিশালী হবে। তারপরও কোভিড-১৯ এবং নতুন ভ্যারিয়েন্টের সম্ভাবনা উদ্বেগ হিসেবে রয়েছে।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles