রবিবার | ৭ মার্চ ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • ৮ মার্চ টরন্টোর ওপর থেকে জনস্বাস্থ-সংক্রান্ত কিছু বিধিনিষেধ প্রত্যাহার হতে পারে
  • নকল এড়াতে ভ্যাকসিন সরবরাহ ব্যবস্থা সতর্কতার সঙ্গে দেখভাল করছে কানাডা
ফাইল ছবি

মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মহামারির প্রভাব ইতিমধ্যে মারাত্মক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন থাকা, সংক্রমণভীতি, পরিবারের সদস্য হারানোর দুঃখ-কষ্ট—এসবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উপার্জন ও চাকরি হারানোর ভয়। এর প্রভাব পড়েছে কানাডাতেও। মহামারি করোনাভাইরাসের শুরুর দিকে কানাডিয়ানদের সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপনের সমস্যা না হলেও ধীরে ধীরে এর নেতিবাচক প্রতিফলন ঘটতে শুরু করে। বিশেষ করে ঘরবন্দি কানাডিয়ানরা কর্মহীন থাকায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। গবেষকরা বলছেন— করোনাকালীন সময়ে কানাডায় কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নাগরিক মানসিক স্বাস্থ্য, আসক্তি বা অ্যালকোহলজনিত সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন। অর্থনীতির পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়েছে কানাডিয়ানদের। এক সমীক্ষায় প্রতি পাঁচজনে দু'জন কানাডিয়ান জানান, করোনাকালীন তাদের মানসিক স্বাস্থ্য মহামারি শুরুর আগের চেয়ে খারাপ। মানসিক বিপর্যস্ত ঠেকাতে অ্যালকোহলের ব্যয় বেড়েছে।

কানাডায় ইতিমধ্যেই ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন করোনার থাবা শুধু অর্থনীতিই নয়, মানুষের মনের অবস্থাকেও ব্যাপকভাবে পরিবর্তন করেছে। কানাডিয়ানরা আগে কখনও এ ধরনের অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়নি।

করোনাভাইরাসের বিস্তার পৃথিবীকে এক অনিশ্চিত অবস্থার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। প্রতিনিয়ত সংবাদমাধ্যমে খবর প্রচার হচ্ছে একে ঠেকানোর নানা চেষ্টা সত্ত্বেও নানা দেশে অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে এ ভাইরাস ছড়াচ্ছে, হাজারও লোক আক্রান্ত হচ্ছে, অনেকে মারা যাচ্ছেন। এসব খবর দেখে-শুনে এবং পড়ে কোটি কোটি মানুষের মনে তৈরি হয়েছে তীব্র উদ্বেগ। কনাডাতেও এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে।