4.9 C
Toronto
শনিবার, অক্টোবর ২৩, ২০২১

অকুতোভয় সৈনিক কর্নেল জামিল

বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কর্নেল জামিল

অকুতোভয় সৈনিক কর্নেল জামিল আক্রান্ত বঙ্গবন্ধুকে ১৫ আগস্ট রক্ষা করতে গিয়েছিলেন। মাঝপথেই তাকে হত্যা করা হয়। সেদিন বঙ্গবন্ধুর গড়া রক্ষীবাহিনী, স্বাধীন বাংলাদেশের সমগ্র সেনা প্লাটুন নিরব ভূমিকা পালন করেছিল।

এ যেন মিরজাফরের ভূমিকার পুনরাবৃত্তি। পলাশী যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিল ৫০,০০০ সৈন্যের বিশাল বাহিনী। আর ইংরেজদের পক্ষে ছিল মাত্র হাজার তিনেক সৈন্য। অস্ত্র, গোলাবারুদ, হাতি, ঘোড়া কোনোদিক থেকেই পিছিয়ে ছিল না নবাবের বাহিনী। কিন্তু এর মধ্যে ৪০,০০০ সৈন্যই ছিল মীর জাফর সহ বিশ্বাসঘাতক সেনানায়ক রায়দুর্লভ, ইয়ার লতিফদের অধীনে। আর যুদ্ধক্ষেত্রে তারা নিয়েছিল নীরব ভূমিকা। লড়ে গেছেন বকসী মীর মদন এবং মোহনলাল। এই অকুতোভয় দুইজন সৈনিক সেদিন প্রান দিয়েছিল কিন্তু নবাব সিরাজুদ্দৌলাকে শেষ রক্ষা করতে পারেন নি।

১৯৭৫ সালে সেই ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি হলো যেন। লেখক এবং দার্শনিক George Santayana বলেছিলেন, “Those who cannot remember the past are condemned to repeat it.” …

আমরাও স্বাধীন বাংলাদেশে সেই ইতিহাস বিস্মৃত হয়েছিলাম। তাই আবার সেই পুরনো ইতিহাস এসে কড়া নেড়ে জানান দিয়ে গিয়েছিল পৃথিবীর নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে।

কর্নেল জামিল ইতিহাসের পাতায় একটি অবহেলিত নাম।

এই শোকাবহ আগস্ট মাসের শুরুতে এই অকুতোভয় সৈনিককে জানাই স্যালুট।

স্কারবোরো, অন্টারিও

- Advertisement - Visit the MDN site

Related Articles

- Advertisement - Visit the MDN site

Latest Articles