15.2 C
Toronto
মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৪

এবার খলিলের কল রেকর্ড ফাঁস—‘আমার যা আছে, এমপি-মন্ত্রীদেরও নেই’

এবার খলিলের কল রেকর্ড ফাঁস—‘আমার যা আছে, এমপি-মন্ত্রীদেরও নেই’
গতকাল রবিবার গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন মাংস ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান ছবি সংগৃহীত

রাজধানীর শাহজাহানপুরের আলোচিত মাংস ব্যবসায়ী খলিলুর রহমানের একটি ফোন কল রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। ওই ফোন কলে তাকে অস্ত্র নিয়ে কথা বলতে শোনা গেছে। এ সময় বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দিতেও শোনা গেছে খলিককে। এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও আলোচিত মাংস ব্যবসায়ী খলিল ফোন রিসিভ করেননি।

তবে গণমাধ্যমের কাছে তিনি দাবি করেছেন, একজন মাংস ব্যবসায়ীকে ভয় দেখাতে তিনি এসব বলেছেন।

- Advertisement -

সম্প্রতি রাজধানীর আলমগীর নামের এক মাংস ব্যবসায়ীর সঙ্গে তার কথা হয়। ওই ফোনালাপে খলিল বলেন, ‘একটাই মাংস ব্যবসায়ী, যেটা হলো খলিল। আমার যে আর্মস বা গান আছে তা বাংলাদেশের তিনটা ব্যক্তির কাছে আছে। সবচেয়ে দামি দামি গান। এ কে ফোরটি সেভেন এমপি মন্ত্রীর কাছেও নাই।’

তিনি বলেন, ‘এদিকের মাংস ব্যবসায়ীরা অনেক শক্তিশালী। অনেক টাকার মালিক। আমার যদি কিছু না থাকত তাহলে তারা অনেক ক্ষতি করত। তারা অনেক দিক দিয়ে আমার ক্ষতি করার চেষ্টা করতেছে। কত দোষ গুণ খুঁজতেছে কিন্তু পাচ্ছে না। ওরা জানে আমার সামনে এলে ওরা কেউ বেঁচে থাকতে পারবে না।’

এদিকে আগামী ২০ রমজানের পর মাংস বিক্রি বন্ধ করার ঘোষণা দেন খলিল। তিনি বলেন, যে মাংস ব্যবসায়ীদের জন্য এতকিছু করলাম, তারা এখন কেউ আমার পাশে নেই। বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম এতদিন আমার কাছে থাকলেও এখন আর নেই। সরকারও আর আমার সঙ্গে নেই। ফলে আমি আর ব্যবসাই করব না। কথা দিচ্ছি, আগামী ২০ রমজানের পর আর খলিল মাংস বিতান থাকবে না। জীবনেও আর মাংস ব্যবসা করব না।

রোজার প্রথম দিন থেকে প্রতিকেজি গরুর মাংস ৫৯৫ টাকায় বিক্রির ঘোষণা দেন তিনি। তবে ১০ রোজা না যেতেই প্রতি কেজি মাংসের দাম ১০০ টাকা বাড়িয়ে দেন। পরে আবারও ৫৯৫ টাকায় মাংস বিক্রির ঘোষণা দেন। এভাবে রোজায় কম দামে মাংস বিক্রি করে আলোচনায় আসেন খলিলুর রহমান।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles