3.6 C
Toronto
রবিবার, এপ্রিল ২১, ২০২৪

খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে বিএনপির ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে বিএনপির ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সরকারকে আগামী ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে দলটি। রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে পূর্ব ঘোষিত সমাবেশে এ ঘোষণা দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

- Advertisement -

এ সময় কাঁদতে কাঁদতে মির্জা ফখরুল বলেন, খালেজা জিয়া গৃহবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। এর আগে তিনবার হাসপাতালে গেলেও এবার তার শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ। আমি গতকালকেও তাকে দেখতে গিয়েছিলাম। তার শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ। এমন অবস্থা আগে দেখেননি। প্রথমবারের মতো মনে হয়েছে, তার মনে হয়েছে চেয়ারপারসন অনেক বেশি অসুস্থ।

তিনি বলেন, এই অবৈধ সরকারে বলতে চাই, খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেন। নেত্রীর যদি কোনো ক্ষতি হয় তবে নেত্রীর নয়, দলের নয় পুরো বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় ক্ষতি হবে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে গায়ের মধ্যে আগুন লেগেছে। বাইডেনের সঙ্গে সপরিবারে ছবি তুলে খুব দেখিয়েছিলেন। বলেছিলেন আর আমেরিকা যাবেন না, অথচ তিনি আমেরিকা থাকা অবস্থায় ভিসা নীতি কার্যকর করা হলো। ভিসা নীতি বাংলাদেশের মতো একটা স্বাধীন সার্বভৌম দেশের জন্য অপমানজনক। আওয়ামী লীগের জন্য তাও আমাদের দেখতে হলো বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কিছু কিছু পুলিশ কর্মকর্তা একটা বেআইনি সরকারকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য দমন পীড়ন করছে বলেও অভিযোগ করেন মির্জা ফখরুল।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, বিভিন্ন কুঞ্জে কুঞ্জে আমলারা মিটিং করে বেড়াচ্ছে, যেকোন মূল্যে গুম খুন করেও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে হবে। গুম খুন-দুর্নীতির সাথে জড়িত সরকার কর্মকর্তারা আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে এতোটা মরিয়া যে, যতটা আওয়ামী লীগও মরিয়া না।

এর আগে দুপুরের আগ থেকেই সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন দলের নেতাকর্মীরা। ব্যানার, পোস্টার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে স্লোগানে স্লোগানে সমাবেশে যোগ দেন নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।

গত ৯ আগস্ট থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন খালেদা জিয়া। তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত জটিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। গত সপ্তাহে মাত্র চার দিনের ব্যবধানে তাকে কেবিন থেকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) এনে চিকিৎসা দিতে হয়। ইতোমধ্যে তাকে বিদেশে পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। তবে সরকারের অনুমতি না পাওয়ায় তা সম্ভব হচ্ছে না।

সূত্র : বাংলাদেশ জার্নাল

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles