14.1 C
Toronto
রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২

ফ্লাইট বিলম্ব ও বাতিলে নিকৃষ্টতম বিমানবন্দর

- Advertisement -
সিএনএন ট্রাভেলের জন্য উপাত্তের যে সংকল ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়ার তৈরি করেছে তাতে টরন্টোর পিয়ারসন বিমানবন্দরে ২৬ মে থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অর্ধেকের বেশি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে

সাম্প্রতিক সময়ে কেউ বিমানবন্দরে গিয়ে থাকলে চাহিদা ফিরে আসার ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন। সেই হারে যা ফিরে আসেনি তা হলো বিপুল সংখ্যক ভ্রমণকারীকে হ্যান্ডল করার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল।

সিএনএন ট্রাভেলের জন্য উপাত্তের যে সংকল ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইট ফ্লাইটঅ্যাওয়ার তৈরি করেছে তাতে টরন্টোর পিয়ারসন বিমানবন্দরে ২৬ মে থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত অর্ধেকের বেশি ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে। এই গ্রীষ্মে বিমানবন্দরটির ৫২ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারিত ফ্লাইট বিলম্বিত হয়েছে। ফ্লাইট বাতিলেও বৈশি^ক যে র‌্যাংকিং তাতেও চতুর্থ স্থানে রয়েছে বিমানবন্দনরটি। একই সময়ে বিমানবন্দরটিতে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এয়ার কানাডা তাদের নীতিতে কিছুটা পরিবর্তন এনেছে। টরন্টো পিয়ারসন বিমানবন্দরকে উদ্দেশ্য করে প্রাপ্যতা সাপেক্ষে বিনামূল্যে টিকিট পরিবর্তন করার সুযোগ দিচ্ছে এয়ারলাইলটি। এর ফলে ভ্রমণকারীরা তাদের আরোহণ বা অবতরণ ফ্লাইটটি বিলি বিশপ টরন্টো সিটি এয়ারপোর্ট অথবা টরন্টো পিয়ারসন বিমানবন্দর পর্যন্ত সম্প্রসারণ করতে পারবেন। ফ্লাইট বিঘœ বন্ধে এয়ার কানাডা এরইমধ্যে গ্রীষ্মের ফ্লাইট কমিয়ে এনেছে। অপেক্ষমাণ সময় কমিয়ে আনতে তারা ট্রান্সপোর্ট কানাডার সঙ্গে কাজ করছে।

ফ্লাইট বিলম্ব কেবল টরন্টোর বিমানবন্দরেই সীমাবদ্ধ নয়, একই সমস্যায় ভুগছে অন্যান্য বন্দরও। এই গ্রীষ্মে ফ্লাইট বিলম্বে বিশে^র যে ১০টি বিমানবন্দর শীর্ষে রয়েছে তার মধ্যে সাতটিই ইউরোপের। ফ্লাইটঅ্যাওয়ার উপাত্তের তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপে সবচেয়ে বেশি ফ্লাইট বিলম্ব হচ্ছে ফ্রাঙ্কফুর্ট, প্যারিস, আমস্টারডাম ও লন্ডন বিমানবন্দরে।

এই গ্রীষ্মে বহির্গামী যাত্রীদের টিকিট বিক্রি বন্ধ রাখতে এয়ারলাইন্সগুলোকে বন্ধ রাখতে বলেছে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর, যা নজীরবিহীন। যুক্তরাষ্ট্রের মাত্র একটি বিমানবন্দর বিলম্বের বিবেচনায় শীর্ষ দশে রয়েছে এবং সেটি হলো ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট।

ফ্লাইটঅ্যাওয়ারের যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রিক যে উপাত্ত তাতে, দেশটিতে ফ্লাইট বিলম্বের শীর্ষে থাকা ১০টি বিমানবন্দরের মধ্যে তিনটিই ফ্লোরিডার। আকাশ ভ্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি দেখা গেলেও এয়ারলাইন্সগুলোর কাছ থেকে আরও উন্নতি আশা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন মন্ত্রী পিট বাটিগিয়েগ।

এই গ্রীষ্মে ফ্লাইট বিলম্বের শীর্ষ দশের বিমানবন্দরগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যের লন্ডন গ্যাটউইক বিমানবন্দর রয়েছে পঞ্চম ও হিথ্রো ষষ্ঠ স্থানে। পরের চারটি অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে জার্মানির মিউনিখ, গ্রিসের এথেন্স ইন্টারন্যঅশনাল এয়ারপোর্ট, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি কিংসফোর্ড স্মিথ এয়ারপোর্ট এবং যুক্তরাষ্ট্রের অরল্যান্ডো ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট।

ফ্লাইট বাতিলে শীর্ষে রয়েছে চীনের শেনঝেন বাওএন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। গ্রীষ্মে বিমানবন্দরটির ৭ দশমিক ৯ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর পরেই আছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্রের নিউয়ার্ক লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট ও লা গার্ডিয়া এয়ারপোর্ট, কানাডার টরন্টো পিয়ারসন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, ইন্দোনেশিয়ার সোয়েকারনো-হাত্তা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি কিংসফোর্ড স্মিথ এয়ারপোর্ট, চীনের গুয়াঙ্গজু বেইয়ুন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, যুক্তরাষ্ট্রের রোনাল্ড রিগ্যান ওয়াশিংটন ন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, চীনের চংকিং জিয়াংবেই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট এবং নেদারল্যান্ডসের আমস্টার্ডাম এয়ারপোর্ট শিফল।

Related Articles

Latest Articles