14.1 C
Toronto
রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২

মন্ট্রিয়লে মাঙ্কিপক্সের ভ্যাকসিন পেলেন পর্যটকরাও

- Advertisement -
ফাইল ছবি

মন্ট্রিয়লে যাদেরকে মাঙ্কিপক্সের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে পর্যটকরাও রয়েছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ভাইরাসটিকে এরইমধ্যে স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।

নগরীর গে ভিলেজের ওয়াক-ইন আউটডোর ক্লিনিকে যারা ভ্যাকসিনটির জন্য অপেক্ষায় ছিলেন তাদের একজন নিউইয়র্কের বাসিন্দা ব্রায়ান মাচি। ছুটি কাটাতে মন্ট্রিয়লে আসা মাচি বলেন, দেশে ফিরে ভ্যাকসিন নিতে অ্যাপয়ন্টমেন্ট বুক করতে না পারায় কানাডাতেই ভ্যাকসিন নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। নিউইয়র্কের পদ্ধতিকে অনেকটা কনসার্টের টিকেট সংগ্রহের মতো বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মাচি বলেন, সন্ধ্যা ৬টায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট চালু করার সঙ্গে সঙ্গে তিনি অনলাইনে ঢোকেন। কিন্তু অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেই বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। পরে তিনি জানতে পারেন, মন্ট্রিয়লে অ্যাপয়েন্টমেন্টের সুযোগ রয়েছে। পর্যটকরাও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।

দেশে ভ্যাকসিনের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে না পারার একই কাহিনী শোনান নিউইয়র্কের আরেক দম্পতিও। ৩৬ বছর বয়সী ব্র্যাড বলেন, পাঁচ থেকে ছয়বার আমাকে সিস্টেম থেকে বেরিয়ে আসতে হয় এবং শেষে বলা হয়, অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেই। কখন অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাওয়া যাবে তাও জানানো হয় না। আমরা এখানে ওয়াক-ইন ভ্যাকসিন নিতে পেরেছি এবং এটা চমৎকার। অবিশ^াস্য সেবা এটা।

পুরুষের সঙ্গে যেসব পুরুষ যৌন মিলনে সামিল হয়েছেন ও মাঙ্কিপক্সে আক্রান্তদের সঙ্গে যৌন মিলন করেছেন তাদেরকে মাঙ্কিপক্সের ভ্যাকসিন দিচ্ছে মন্ট্রিয়ল। ম্যাকগিল ইউনিভার্সিটির সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মাইকেল লিবম্যান বলেন, রোগটির বিস্তার বন্ধে পর্যটকদের ভ্যাকসিনের আওতায় আনা সঠিক সিদ্ধান্ত। স্থানীয় সংক্রমণ বড় সমস্যা নয়। বড় সমস্যা হলো লোকজন রোগটি এক স্থান থেকে আরেক স্থানে ছড়িয়ে দিচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মাঙ্কিপক্সকে বৈশি^ক সঙ্কট হিসেবে ঘোষণা করেছে। তাদের মতে, এখন পর্যন্ত ৭০টির বেশি দেশে রোগটির বিস্তার ঘটেছে।
বৈশি^ক জরুরি অবস্থা হলো সংস্থাটির সর্বোচ্চ সতর্কতা। তবে এর অর্থ এই নয় যে, রোগটি বিশেষভাবে সংক্রামক অথবা প্রাণঘাতী। ল্যাটিন আমেরিকায় জিকা ভাইরাসের ক্ষেত্রেও ২০১৬ সালে একই ধরনের ঘোষণা দিয়েছিল সংস্থাটি। একই ঘোষণা এসেছিল পোলিও, কোভিড-১৯ মহামারি ও ২০১৪ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলা সংক্রমণের সময়ও।

কানাডার পাঁচটি প্রদেশে এ পর্যন্ত ৬৮১ জন মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে কুইবেকে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩১। ১ জুলাইয়ের পর আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুনে উন্নীত হয়েছে।

 

Related Articles

Latest Articles