17.5 C
Toronto
রবিবার, মে ২৯, ২০২২

কোভিড-১৯ সংক্রমণ কী ফিরে আসছে অন্টারিওতে ?

- Advertisement -
কোভিড-১৯ সংক্রমণ কী ফিরে আসছে অন্টারিওতে ? - The Bengali Times
কোভিড-১৯ এর কারণে এখন থেকে মে মাস পর্যন্ত হাসপাতালে রোগী ভর্তি মোটামুটি ফিরে আসতে পারে এবং এজন্য অন্টারিওকে প্রস্তুত থাকা উচিত। কারণ, সব পর্যবেক্ষণ বলছে, ওমিক্রন ঢেউ সর্বনিম্নে পৌঁছেছে এবং আবারও সংক্রমণ ফিরে আসতে শুরু করেছে। নতুন মডেলিং সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে।

কোভিড-১৯ এর কারণে এখন থেকে মে মাস পর্যন্ত হাসপাতালে রোগী ভর্তি মোটামুটি ফিরে আসতে পারে এবং এজন্য অন্টারিওকে প্রস্তুত থাকা উচিত। কারণ, সব পর্যবেক্ষণ বলছে, ওমিক্রন ঢেউ সর্বনিম্নে পৌঁছেছে এবং আবারও সংক্রমণ ফিরে আসতে শুরু করেছে। নতুন মডেলিং সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে।
অন্টারিও কোভিড-১৯ সায়েন্স অ্যাডভাইজরি টেবিল বলছে, অধিকাংশ স্থানে মাস্ক পরিধান বিধি প্রত্যাহার করায় এবং বিএ.২ সাবভ্যারিয়েন্টের আগমনের কারণে মে মাসের মধ্যে হাসপাতালের আইসিইউতে রোগী ভর্তি এক-তৃতীয়াংশ থেকে ৩০০তে পৌঁছাতে পারে।

সে নাগাদ হাসপাতালে সার্বিক রোগী ভর্তি প্রায় ৮০০তে দাঁড়াতে পারে। মধ্য জানুয়ারিতে সংক্রমণ যখন চূড়ায় ছিল তার চেয়ে বেশ কম। ওই সময় কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪ হাজার ১০ তে পৌঁছে গিয়েছিল। বৃহস্পতিবার আইসিইউতে ভর্তি ২০০ এর নিচে নেমে আসে এবং সমগ্র প্রদেশে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল ৬৪৪ জন।

- Advertisement -

পিসিআর পরীক্ষায় কোভিড-১৯ সনাক্ত হওয়াদের হার সব গ্রুপের মধ্যেই বাড়ছে। একই সাথে মধ্য ফেব্রুয়ারি থেকে কর্মক্ষেত্রে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষাও জোরদার করা হয়েছে।

সায়েন্স টেবিলের কো-চেয়ার ড. পিটার জুনি সিপি২৪কে বলেন, সাম্প্রতিক এই প্রাক্কলন থেকে জনগণের কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। রাতারাতি মহামারি কেটে যাবে এমনটা মনে করছি না এবং মাস্কগুলো সমুদ্র সৈকতে টি-শার্টের মতো ফেলেও দিচ্ছি না। ধীরে ধীরে আমরা যোগাযোগ বাড়াচ্ছি এবং বিভিন্ন স্থানে মাস্ক পরিধান বন্ধ করছি।

মডেলাররা বলছেন, সংক্রমণের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে প্রদেশের উচিত পুনরায় মাস্ক বাধ্যতামূলক করা। সেই সঙ্গে ভ্যাকসিন পাসপোর্ট চালু করা এবং বায়ু চলাচল ব্যবস্থা উন্নত করার কাজ অব্যাহত রাখতে হবে।

জুনি বলেন, পরিস্থিতি দেখে এটা বলা যাচ্ছে না যে জনগণ রাতারাতি তাদের অভ্যাসগুলো বদলে ফেলেছে।
অন্টারিও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আলেক্সান্দ্রা হিলকেইন বলেন, সংক্রমণ বাড়লে যাতে হাসপাতালের ধারণক্ষতা বাড়ানো যায় সেদিকে মনোযোগ অব্যাহত রেখেছে প্রদেশ।

ডিসেম্বরের শেষ দিকে থেকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের তৃতীয় ডোজ গ্রহণের বিষয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছে অন্টারিও। পরবর্তী মাস থেকে হাসপাতালে রোগী ভর্তি কমে আসার ক্ষেত্রে এটিও ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন মডেলাররা।

মডেলিংয়ের তথ্য অনুযায়ী, তৃতীয় ডোজ ছাড়া জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে যখন ওমিক্রন ঢেউ চূড়ায় ছিল হাসপতালে রোগী ভর্তি ৫ হাজার ছাড়িয়ে যেতো। ওই মাসে হাসপাতালে প্রকৃত রোগী ভর্তির চেয়ে যা ৩৪ শতাংশ বেশি। এছাড়া ২০ জানুয়ারির মধ্যে আইসিইউতে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়াত ২০০ এর বেশি। প্রকৃত ভর্তির চেয়ে যা ৩০ শতাংশ বেশি।
This article was written by Sohely Ahmed Sweety as part of the Local Journalism Initiative.

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles