11.4 C
Toronto
শুক্রবার, মে ২০, ২০২২

পশ্চিমা সমালোচকের নজরুল-বীক্ষা

- Advertisement -
পশ্চিমা সমালোচকের নজরুল-বীক্ষা - The Bengali Times
ফাইল ছবি

ম্যাসাচুসেস্টস বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং রাজনীতি বিজ্ঞানের অধ্যাপক উইনস্টন ই. ল্যাংলি-রচিত আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-বিষয়ক গ্রন্থটি নিয়ে আলোচনার পূর্বে ল্যাংলির লেখালেখির সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত যোগাযোগের অধ্যায়টি নিয়ে একটু কথা বলতে চাই। সালটি ২০০১। এপ্রিল-মে মাসের কোনো এক সময়ে নজরুল ইনস্টিটিউটের তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক কবি মুহাম্মদ নূরুল হুদা, আমার প্রতি তাঁর অগাধ স্নেহের কারণেই, নজরুল ইনস্টিটিউট থেকে প্রকাশিতব্য ইংরেজি জার্নালটির (সংখ্যা ৬) কিছু দায়িত্ব দিয়ে ফেলেছিলেন। সে-কাজ করতে গিয়েই ল্যাংলির লেখার সঙ্গে আমার যোগাযোগ।
আমেরিকান এই গবেষকের যে-লেখাটি সে-সংখ্যায় ছাপা হয়, তার শিরোনাম ছিল ‘Kazi Nazrul Islam and the voice of poetry in the affairs of human kind’. অসাধারণ সে-লেখাটিতে নজরুল-মূল্যায়নে অভিনব এক মাত্রার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তুলনা-প্রতিতুলনার এমন এক আবহ উনিশ পৃষ্ঠার সে-প্রবন্ধটিতে বর্তমান, যা যে-কোনো নজরুল-পাঠককে আপ্লুত এবং ঋদ্ধ করতে সক্ষম। প্রবন্ধটি ল্যাংলি শুরু করেছিলেন পাশ্চাত্যের প্রয়াত রাজনীতিক-দার্শনিক মাইকেল জোসেফ ওকশটকে দিয়ে। ওকশট তাঁর ‘The Voice of Poetry in the conversation of Mankind’ প্রবন্ধে মানব-জীবনে কবিতার ভূমিকার কথা বলেছেন। ল্যাংলির বক্তব্য: ওকশট তাঁর প্রবন্ধে আশ্রয় করেছেন পশ্চিমা সাহিত্যকে। যদি তিনি বাংলাদেশের কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা পড়ে থাকতেন, তবে অবশ্যই তাঁর অনুধাবন হতো আরো প্রোথিত, আরো প্রসারিত।
ল্যাংলির সে-লেখাটিরই বর্ধিত রূপ আমাদের আজকের আলোচনার গ্রন্থ। প্রবন্ধটি আমাকে এতই মোহিত করেছিল যে, আমি ই-মেইলে ল্যাংলির কাছে সেটি অনুবাদের অনুমতি প্রার্থনা করি। ইতিবাচক উত্তর আসতেও দেরি হয়নি। যদিও পরবর্তীকালে সে-কাজটি আমি শেষ করে উঠতে পারিনি। পণ্ডিত এবং নিরহঙ্কার ল্যাংলির বইটি যখন একুশে বইমেলায় এলো, খুবই আশান্বিত হই ক্লিশে সমালোচনার যে-আবর্তে জাতীয় কবি এখন ডুবে আছেন, এবার বোধহয় সেখান থেকে তাঁর মুক্তি হবে।

ভূমিকা এবং উপসংহার বাদে বইটির মোট অধ্যায়সংখ্যা আট। Nazrul: The voice of Poetry; Nazrul’s broader view of poetry’s voice; The spirit of Rebellion and Creation; The Romantic, The Modernist and the Post Modernist; Nazrul: The Global Citizen; Nazrul: A contemporary and a man for all seasons; Development and Globalism এবং women। শিরোনাম দেখেই লেখকের পরিধি এবং দৃষ্টিভঙ্গি বুঝে নেওয়া যায় সহজেই।

- Advertisement -

গ্রন্থের ‘Foreword’-এ নজরুল ইনস্টিটিউট ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট নজরুল-গবেষক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, কীভাবে নজরুল-সাহিত্যের সঙ্গে ল্যাংলির সম্পৃক্তি ঘটে। সে অনেককাল আগের কথা। ১৯৯৬ সালে বস্টনে ল্যাংলি এসেছিলেন প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক নজরুলসন্ধ্যায়। গীত নজরুলসংগীত তাঁকে নাড়া দেয়। সে উৎসাহে যোগান দেয় ড. গুলশান আরা-কৃত কিছু নজরুলগীতির ইংরেজি অনুবাদ। উৎসাহী ল্যাংলি শুরু করেন নজরুল-বিষয়ক গ্রন্থ সংগ্রহ। ‘Preface’-এ ল্যাংলি জানিয়েছেন, এ-সময়েই তিনি সিদ্ধান্ত নেন তাঁর অনুসন্ধান নিয়ে একটি পেপার রেডি করার। পেপার তৈরির কাজ চলার সময় তিনি অনুধাবন করেন প্রথাগত কিছু ধারণার মধ্যে নজরুল-সাহিত্যের মূল্যায়ন সীমাবদ্ধ। তাই সিদ্ধান্ত নেন, একটি বই লেখার, যা দিয়ে নিজের লব্ধজ্ঞানকে তিনি সকলের দোরগোড়ায় পৌঁছাবেন। সে-গ্রন্থ আমাদের বর্তমান আলোচনার কেন্দ্র।

ল্যাংলির লব্ধজ্ঞানের একটি প্রধান অংশ হলো একবিংশ শতাব্দীর প্রেক্ষাপটে নজরুল-সাহিত্যের গুরুত্ব মূল্যায়ন। একবিংশ শতাব্দীতে যে-সব ভাবনা বিশ্বমানবকে নিয়ন্ত্রণ এবং তাড়িত করে চলেছে তার মুখ্যগুলো হলো: উন্নয়ন, বিশ্বায়ন, পরিবেশ, মানব-সম্ভাবনা এবং বহুসংস্কৃতি। ল্যাংলির দৃষ্টিতে নজরুল উপর্যুক্ত প্রেক্ষাপটে অতিআবশ্যকীয় একটি নাম। নজরুলসাহিত্যে একবিংশ শতাব্দীর এ-সকল মুখ্য নিয়ামকের সুলুকসন্ধান সম্ভব। আর তাই নজরুল অনাগত শতাব্দীগুলোতেও প্রাসঙ্গিক থাকবেন বলে ল্যাংলির অভিমত।
জাতীয়তাবাদের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে লেখক দেখিয়েছেন কেন নজরুল জাতীয়তাবাদী নন। অথবা জাতীয়তাবাদী হলেও ‘সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদ’ থেকে কীভাবে নজরুল নিজেকে তুলে এনেছিলেন বৈশ্বিক একটি পরিচয়। সে-পরিচয়ই কবিকে ‘Global Citizen’ মর্যাদায় অভিষিক্ত করে। ল্যাংলির ভাষায়:

We focus on his status as a global or world citizen because, as in the case of the constitutional order of a given society, which confers social or certain moral legitimacy to specific laws and actions, it is the universal (global) character of a phenomenon which lends special significance to particular things, including individuals, nations, and events. (পৃ ৯৮)

বিশ্বায়নের প্রশ্নে পৃথিবীতে সংস্কৃতিগুলোর সম্পর্ক আরো অনিবার্য হয়ে উঠেছে। ‘Clash of Civilization’-কে ছুড়ে ফেলে বিশ্বমানবের যে-একত্রীকরণ, তা আজ যুগের দাবি। আর উৎসাহের যে ল্যাংলি সে-একত্রীকরণের আহ্বানকে খুব সহজেই আবিষ্কার করেছেন বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়-তৃতীয় দশকের অর্থাৎ আজ থেকে সত্তর-আশি বছর আগের এক কবির রচনায়, যিনি প্রাচ্যের বাসিন্দা। বিশ্বায়নের মাঙ্গলিক নির্দেশনার সফলতা খুঁজতে এ-ভাবনার উদ্যোক্তা পশ্চিমাদেরই এক বুদ্ধিজীবীর প্রয়োজন হয়েছে কদর্য অনগ্রসর এশীয়দের এক কবিকে, যিনি জন্মস্থানের সীমাকে শারীরিকভাবে অতিক্রম করেননি। কিন্তু তাঁর কল্পনা আর ধীশক্তি তাঁকে এমন একটি স্তরে তুলে নিয়েছিল, যা দিয়ে বিশ্বমানবের কল্যাণের এমন পথের ইঙ্গিত তিনি দিয়েছিলেন, যা শতবর্ষ পরেও বৈশ্বিক উন্নয়নের প্রশ্নে জরুরি হয়ে পড়েছে। ল্যাংলি বলেছেন –

Nazrul understood that speaking of or describing human unity is not enough, if human liberation from culturally constructed walls such as gender, class, race, religion, ethnicity, nationality, and social origin, among others, is to be realized. He felt that, in addition, we should have to be willing to change our institutions and to transform ourselves, hopefully with the help of ‘organic intellectuals’. (পৃ ১৫)

বিশ্বায়নের তিনটি প্রধান উপাদান হলো: বাজার, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বহুসংস্কৃতি। মানবজাতিকে যদি প্রকৃত অর্থেই উন্নয়নের পথে অগ্রসর হতে হয়, তবে ওই তিন উপাদানের যৌক্তিক এবং সহায়ক শক্তিকে ব্যবহার করতে হবে। বাজারকে শোষণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে হলে সে-বাজারের ‘উন্মুক্ততা’ সমগ্র মানবজাতিকে কোনো কল্যাণ দিতে পারে না। তেমনি তথ্যপ্রযুক্তির অনিবার্য ব্যাপকতাকে কল্যাণকর ভূমিকায় রাখতে হলে সে-প্রযুক্তিকে বিশ্বময় ছড়াতে হবে কোনো বৈষম্য ছাড়াই। আর আমাদের অনুধাবন করতে হবে অন্তরের অন্তস্থল থেকে যে ‘Clash among civilizations’ প্রকৃতপক্ষে ‘Clash among ignorances’। ভিন্ন সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য পৃথিবীর সম্পদ। অন্য সংস্কৃতি সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণেই তৈরি হয় অবিশ্বাস এবং হিংসা, যা একপর্যায়ে যুদ্ধে রূপ নেয়। শিক্ষার আলোকপ্রাপ্ত একজন মানুষের ভাবনার ভেতর এ-বিষয়টি প্রোথিত হতে হবে যে, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য মাত্রই সাংস্কৃতিক শত্রুতা নয়। সে-বৈচিত্র্যের লালনই বিশ্ব-উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি। আর তাই চর্চায় আনতে হবে ভিন্নতার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ।

Nazrul saw development as broadly cultural, and that is why, whether he was pointing to the actions of literary and scientific intellectuals, or to the efforts of political leaders in their joint or several pursuit of development, he sought to emphasize that practices, tastes and ways of life that are part of a people’s identity be respected. (পৃ ১৪৬)

নজরুল তাঁর সাহিত্যে গ্রিক, রোমান, মুসলিম, খ্রিষ্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ, তুর্কি প্রভৃতি সংস্কৃতির মহাসম্মিলন ঘটিয়েছেন এবং সোচ্চার থেকেছেন বিভিন্ন সংস্কৃতির ভেতরকার ‘কৃত্রিম বাধা’গুলোকে ভেঙে ফেলার জন্যে। আর সে-কারণেই বিশ্বজুড়ে যুদ্ধমুক্ত একটি পরিবেশ নির্মাণের ক্ষেত্রে Intercultural dialogue যখন বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে চর্চায় আনা হচ্ছে, তখন বাংলাদেশের কবি কাজী নজরুল ইসলাম ক্রমাগত হয়ে উঠেছেন অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্বায়নের মতো উন্নয়নের প্রশ্নটিও নজরুল প্রসঙ্গে মূল্যবান করে তুলেছেন ল্যাংলি। উন্নয়ন বলতে নজরুল কী বোঝাতেন, তেমন ভাবনা বোধকরি কোনো বাঙালি সমালোচক ইতিপূর্বে ভাবেননি। নজরুল যে উন্নয়ন বলতে অর্থনৈতিক অগ্রগতিকে বোঝেননি সেটা ল্যাংলি খুব স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন তাঁর এ-গ্রন্থে। নজরুলের উন্নয়ন-ধারণায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নৈতিক ও নান্দনিক বিকাশের ব্যাপারগুলোও। সে-বিকাশের ব্যাপারে, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ব্যাপারে নজরুলের দৃষ্টিভঙ্গিকে বিশ্লেষণ করেছেন লেখক ১৯৩৮ সালে দেওয়া ‘জন-সাহিত্য’ শিরোনামের অভিভাষণে ব্যবহৃত উপমার আলোকে। সে-ভাষণে নজরুল বলেছিলেন, ‘তাদের কাছে টর্চলাইট হাতে নিয়ে গেলে তার সরে দাঁড়াবে, কেরোসিনের ডিবে হাতে করে গেলে তার থেকে যত ধোঁয়াই বের হোক না কেন তাদেরকে আকর্ষণ করবেই। কারণ, টর্চলাইটে তারা অনভ্যস্ত। ওতে ওদের চোখ ঝলসায়’। আধুনিক বিশ্বে ‘প্রযুক্তির উপর্যুক্ততা’র বিষয়টি যেখানে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, ল্যাংলি সেখানে নজরুলের ভাবনাকে গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করেছেন। বলেছেন, উন্নয়নের প্রয়োজনকে পুরনোকে বাদ দিয়ে নতুন প্রযুক্তির প্রতিস্থাপন দরকার হলে, তা হতে হবে প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর সহজতাকে মাথায় রেখে। না-হলে সে-প্রযুক্তি উন্নয়নের হাতিয়ার হবে না, বরং বৈষম্য সৃষ্টির উপায় হিসেবে চিহ্নিত হবে। আর তাই নজরুলের উন্নয়নভাবনা যেমন ছিল ব্যক্তিকেন্দ্রিক, তেমনি তার মূল নিহিত ছিল পুরো সমাজকে কেন্দ্র করেও।

গ্রন্থজুড়ে লেখকের প্রয়াস কাজী নজরুল ইসলামকে সর্বকালের একজন উল্লেখযোগ্য কবি হিসেবে প্রমাণ করা। চেষ্টা করেছেন তাঁর পাঠের সকল সীমানা নিংড়ে যুক্তিপ্রমাণ দিয়ে উপস্থাপন করতে বিশ্বায়নের এই একবিংশ শতাব্দীতে নজরুলের উপযোগিতাকে বৈশ্বিক, রাজনৈতিক এবং সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে। মানবজীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং অধ্যায়গুলোতে নজরুলের বিষয় এবং অধ্যায়গুলোতে নজরুলের অবদানকে চিত্রিত করতে। সন্দেহ নেই সমালোচনার চর্বিত-চর্বণে কবি যখন ক্লান্তপ্রায়, ঠিক তখনই নজরুল-সমালোচনায় এমন এক অনুসন্ধানী গবেষকের সপ্রমাণ উপস্থিতি পাঠককে নতুন করে উৎসাহী করবে নবমাত্রিকতায় বিদ্রোহী কবিকে বিচারে।

আমরা, বাংলাভাষী মানবকুল, উইনস্টন ই. ল্যাংলির প্রতি কৃতজ্ঞ। ইংরেজি ভাষায় নজরুল অনুবাদের সংকীর্ণ গণ্ডিতে থেকেও বিদেশী এ-গবেষক যে তাঁর উৎসাহ হারাননি, সেটা আমাদের বড় সৌভাগ্য। পাঠকের জন্যে আরো আনন্দের যে, ল্যাংলি আকার-প্রশ্নে এ-গ্রন্থটিকে বর্তমান সীমানায় রেখেছেন ভবিষ্যতে নজরুলকে নিয়ে আরো দুটি গ্রন্থ রচনার পরিকল্পনায় : একটি হবে নজরুল-কাব্যের বিস্মৃত বিশ্লেষণ; আর দ্বিতীয়টি হবে তাঁর জীবনভিত্তিক।
বর্তমান আলোচনার ভেতর দিয়ে আমরা তাঁদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করতে চাই, যাঁরা বিভিন্ন সময়ে উইনস্টন ই. ল্যাংলিকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন নজরুল-পাঠে। এ-প্রসঙ্গে অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের নাম সর্বাগ্রে উল্লেখযোগ্য। তাঁর মতো নজরুলপ্রেমী এবং নজরুল-কর্মীর সাহচর্য যে ল্যাংলির মতো বিস্তীর্ণ পরিসরের মানুষের উদ্দীপনাকে উজ্জীবিত রেখেছে তাতে সন্দেহ নেই।

নজরুল ইনস্টিটিউট গ্রন্থটি কালক্ষেপণ না-করে প্রকাশ করায় ধন্যবাদের দাবিদার। বিশ্বজুড়ে নজরুল-চর্চায় উইনস্টন ই. ল্যাংলির এ-গ্রন্থ এক যুগান্তকারী সংযোজন। বাংলাভাষী মানুষদের জন্যে গ্রন্থটির বাংলা সংস্করণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। তাতে আরো বিপুলসংখ্যক পাঠকের কাছে এর মর্মবাণী পৌঁছবে, যা ভবিষ্যৎ নজরুল-পাঠক-গবেষকের পাথেয় হবে বলে বিবেচনা করি।

ইস্টইয়র্ক, অন্টারিও, কানাডা

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles