আপত্তিকর ডিপফেক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর মন্তব্যের ঘর সীমিত করলেন মেহজাবীন

আপত্তিকর ডিপফেক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর মন্তব্যের ঘর সীমিত করলেন মেহজাবীন - the Bengali Times
অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের পোস্টের মন্তব্যের সুযোগ সীমিত করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। তাঁর সাম্প্রতিক কয়েকটি পোস্টে এখন ইচ্ছেমতো মন্তব্য করতে পারছেন না অনুসারীরা।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের ফেসবুক পেজ হ্যাক হওয়ার পর মেহজাবীনকে ঘিরে কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। পরে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমটি পেজ হ্যাক হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে। তবে এরই মধ্যে ভিডিওগুলো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক তৈরি হয়।

- Advertisement -

ডিপফেক ভিডিও নিয়ে ক্ষোভ

গত ১৫ অক্টোবর ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোকে কেন্দ্র করে নিজের অবস্থান জানান মেহজাবীন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তাঁর নামে মিথ্যা ও আপত্তিকর বিষয়বস্তু তৈরি এবং তা ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

অভিনেত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট বিষয়বস্তু তৈরি করে তাঁকে হেয় করার উদ্দেশ্যে ছড়িয়ে দেওয়া কোনো বিনোদন নয়, বরং অপরাধ। একই বিষয়বস্তু যখন শত শত কিংবা হাজারো মানুষ ছড়িয়ে দেন, তখন তা শুধু ব্যক্তিগত পর্যায়ের অন্যায় থাকে না; বরং বৃহত্তর সামাজিক সমস্যার চিত্র তুলে ধরে।

এ ঘটনায় সমাজের মানুষের মানসিকতা ও সচেতনতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

কেন সীমিত করলেন মন্তব্যের সুযোগ?

মেহজাবীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের কাজ, ব্যক্তিজীবনের নানা মুহূর্ত এবং ভ্রমণের ছবি ও ভিডিও নিয়মিত প্রকাশ করেন। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে তাঁর অনুসারীর সংখ্যাও বিপুল।

তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর নিজের পোস্টে মন্তব্য করার সুযোগ সীমিত করেছেন এই অভিনেত্রী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর যে পোস্টে ৫৭ হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া পড়েছিল, সেটির মন্তব্যের ঘরও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এরপর গত ১৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় কয়েকটি ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেন মেহজাবীন। সেসব পোস্টেও মন্তব্যের সুযোগ সীমিত রাখা হয়েছে। ফলে কেবল নির্দিষ্টসংখ্যক অনুসারী সেখানে মন্তব্য করতে পারছেন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ভুয়া ও আপত্তিকর বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, সম্মান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণের বিষয়গুলো আবারও আলোচনায় এসেছে।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles