
শুভ ছিলো জন্ম মিতা। শুভ হোক জন্মদিন। আজ কতজন কতকেউ রাতদিন গাইছে রবীন্দ্রসঙ্গীত। তবে কেন আমি ভুলতে পারিনা শ্রদ্ধাবর ওয়াহিদুল হকের ভাইঝি ও বন্ধু যুবরাজের স্ত্রী আমার প্রিয়জন দেশের সবচেয়ে সহজ সরল মানুষ বাংলাদেশের প্রধাণ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হকের কন্ঠে শোনা তার গান। আসলে নিজের খ্যাতির জন্যে যারা রবীন্দ্রসঙ্গীত গান তারা ঠিকই তারকা খ্যাতি পান। চিরায়ত সে খ্যাতি কি থাকে! অন্তত রবীন্দ্রনাথের গান করতে গেলে অন্তরে ভরপুর মমত্ববোধ থাকতে হয় অন্তরে।
আমি শুধু আমি থেকে বেরিয়ে আসতে হয়। প্রিয় মিতা হক তেমনি একজন এমনি এসব থেকে বেরিয়ে আসা মনুষ্য ছিলো। মিতার মমত্ববোধের একটা নমুনাদি। দীর্ঘদিন পর টরন্টো থেকে দেশে গিয়েছি বইমেলা,পহেলা বৈশাখ সব হয়ে গেছে আমার ফেরার দিন ঘনিয়ে এসেছে। তখনি শুনলাম মিতা কিছুটা অসুস্থ। ভাবলাম একবার দেখা করে যাই। কল করতে মিতা খুশিতে বলে-আসেন! আসেন। ওর এই আন্তরিক পরিচিত কন্ঠ শুনে চোখে ভেসে উঠলো বর্তমানের চেয়ে অতি ভদ্র সাদাসিদা মোবাইলহীন ৯০ দশকের মিতা যুবরাজ আর ছোট্ট জয়িতার কথা গ্রীন রোডে আমরা তখন কাছাকাছি থাকতাম। কখনো আমি শাহানা প্রয়োজনে আমাদের ছোট্ট অগ্নিলাকে মিতাদের বাসায় রেখে যেতাম।
তারাও জয়িতাকে তেমনি মাঝেমধ্যে আমাদের ৬৪/সি গ্রীন রোড চারতলায় আমাদের বাসায় রেখে যেতো। যখন কল করে আসতে চেয়েছি তখন যুবরাজ নেই,জয়িতা বেশ বড় হয়েছে। মিতা থাকে ধানমুন্ডির এক ছয়-সাত তলা এ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিঙে। প্রায় কাছা কাছি চলে গিয়েছি রিক্সায়। তখন মিতার ফোন –আজকে আইসেন না ইকবাল ভাই! কারেন্ট চলে গেছে দুই ঘন্টা লিফট বন্ধ থাকবে। এই গরমে সিঁড়ি বেয়ে ওঠার প্রশ্নই হয়না! মিতার খুবই চিন্তিত কন্ঠ। বল্লাম- আরে প্রায় এসে গিয়েছি সিড়ি দিয়ে উঠতে আমার কিচ্ছু হবেনা,পারবো। মিতার কন্ঠে চিন্তা এবার দুশ্চিন্তায় পরিণত হলো – না না ও কাজ করবেন না ইকবাল ভাই!
গত সপ্তায় এই বিল্ডিং এর একজন বয়স্ক মানুষ সিঁড়ি দিয়ে উঠতে গিয়ে মাথা ঘুরে গড়িয়ে পড়েছে! আমার সঙ্গে দেখা করতে এসে আপনার এমন কিছু হলে আমার ভীষণ খারাপ লাগবে। আমার মনটা কেমন যেন করে উঠলো! মমত্বে ভরা মিতার মত মানুষেরা কেন অকালে অসুস্থ হয়! বল্লাম-ঠিক আছে ফিরে যাচ্ছি। মিতার কন্ঠে এবার শান্তি,শুভ ছিলো জন্ম মিতা। শুভ হোক জন্মদিন। আজ কতজন কতকেউ রাতদিন গাইছে রবীন্দ্রসঙ্গীত। তবে কেন আমি ভুলতে পারিনা শ্রদ্ধাবর ওয়াহিদুল হকের ভাইঝি ও বন্ধু যুবরাজের স্ত্রী আমার প্রিয়জন দেশের সবচেয়ে সহজ সরল মানুষ বাংলাদেশের প্রধাণ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হকের কন্ঠে শোনা তার গান।
আসলে নিজের খ্যাতির জন্যে যারা রবীন্দ্রসঙ্গীত গান তারা ঠিকই তারকা খ্যাতি পান। চিরায়ত সে খ্যাতি কি থাকে! অন্তত রবীন্দ্রনাথের গান করতে গেলে অন্তরে ভরপুর মমত্ববোধ থাকতে হয় অন্তরে। আমি শুধু আমি থেকে বেরিয়ে আসতে হয়। প্রিয় মিতা হক তেমনি একজন এমনি এসব থেকে বেরিয়ে আসা মনুষ্য ছিলো। মিতার মমত্ববোধের একটা নমুনাদি। দীর্ঘদিন পর টরন্টো থেকে দেশে গিয়েছি বইমেলা,পহেলা বৈশাখ সব হয়ে গেছে আমার ফেরার দিন ঘনিয়ে এসেছে।
তখনি শুনলাম মিতা কিছুটা অসুস্থ। ভাবলাম একবার দেখা করে যাই। কল করতে মিতা খুশিতে বলে-আসেন! আসেন। ওর এই আন্তরিক পরিচিত কন্ঠ শুনে চোখে ভেসে উঠলো বর্তমানের চেয়ে অতি ভদ্র সাদাসিদা মোবাইলহীন ৯০ দশকের মিতা যুবরাজ আর ছোট্ট জয়িতার কথা গ্রীন রোডে আমরা তখন কাছাকাছি থাকতাম। কখনো আমি শাহানা প্রয়োজনে আমাদের ছোট্ট অগ্নিলাকে মিতাদের বাসায় রেখে যেতাম। তারাও জয়িতাকে তেমনি মাঝেমধ্যে আমাদের ৬৪/সি গ্রীন রোড চারতলায় আমাদের বাসায় রেখে যেতো। যখন কল করে আসতে চেয়েছি তখন যুবরাজ নেই,জয়িতা বেশ বড় হয়েছে। মিতা থাকে ধানমুন্ডির এক ছয়-সাত তলা এ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিঙে।
প্রায় কাছা কাছি চলে গিয়েছি রিক্সায়। তখন মিতার ফোন –আজকে আইসেন না ইকবাল ভাই! কারেন্ট চলে গেছে দুই ঘন্টা লিফট বন্ধ থাকবে। এই গরমে সিঁড়ি বেয়ে ওঠার প্রশ্নই হয়না! মিতার খুবই চিন্তিত কন্ঠ। বল্লাম- আরে প্রায় এসে গিয়েছি সিড়ি দিয়ে উঠতে আমার কিচ্ছু হবেনা,পারবো। মিতার কন্ঠে চিন্তা এবার দুশ্চিন্তায় পরিণত হলো – না না ও কাজ করবেন না ইকবাল ভাই! গত সপ্তায় এই বিল্ডিং এর একজন বয়স্ক মানুষ সিঁড়ি দিয়ে উঠতে গিয়ে মাথা ঘুরে গড়িয়ে পড়েছে! আমার সঙ্গে দেখা করতে এসে আপনার এমন কিছু হলে আমার ভীষণ খারাপ লাগবে।
আমার মনটা কেমন যেন করে উঠলো! মমত্বে ভরা মিতার মত মানুষেরা কেন অকালে অসুস্থ হয়! বল্লাম-ঠিক আছে ফিরে যাচ্ছি। মিতার কন্ঠে এবার শান্তি,বারবার সরি সরি বলতে লাগলো। আমি সেদিন মিতাকে মিথ্যা বলেছিলা। ঠিকই সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠে তার দরজায় টোকা দিয়ে তাকে চমকে দিয়ে ছিলাম।ভাগ্যিস তাই শেষ দেখা হয়ে ছিলো। আসলে আমিতো আমাকে জানি মা মারা যাওয়ার আগে কি যেনো দোয়া দিয়ে গেছে যাতে আমি অন্তত চতুর্থ শ্রেণি সুপারম্যান হয়ে উঠেছি। মিতার এই ঘটনাতো অনেক আগের এখনো কন্যা অগ্নিলার দুই পুচকি মেয়ে যখন আমাদের নয় তলা আবাসে আসে এবং চকিতে হাত ধরা ছাড়িয়ে দু’জন এলিভেটরে না ঢুকে চোখের পলকে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতে ছুটে চলে যায়। আমি খুব অনাসয় না হলেও তাদের পিছুপিছু ঠিকই নয় তলা পর্যন্ত উঠে আসি।বারবার সরি সরি বলতে লাগলো।
আমি সেদিন মিতাকে মিথ্যা বলেছিলা। ঠিকই সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠে তার দরজায় টোকা দিয়ে তাকে চমকে দিয়ে ছিলাম।ভাগ্যিস তাই শেষ দেখা হয়ে ছিলো। আসলে আমিতো আমাকে জানি মা মারা যাওয়ার আগে কি যেনো দোয়া দিয়ে গেছে যাতে আমি অন্তত চতুর্থ শ্রেণি সুপারম্যান হয়ে উঠেছি। মিতার এই ঘটনাতো অনেক আগের এখনো কন্যা অগ্নিলার দুই পুচকি মেয়ে যখন আমাদের নয় তলা আবাসে আসে এবং চকিতে হাত ধরা ছাড়িয়ে দু’জন এলিভেটরে না ঢুকে চোখের পলকে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতে ছুটে চলে যায়। আমি খুব অনাসয় না হলেও তাদের পিছুপিছু ঠিকই নয় তলা পর্যন্ত উঠে আসি।

