
আর্জেন্টিনার জার্সিতে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের আরেকটি অধ্যায় শেষ করলেন লিওনেল মেসি। বিদায়ী ম্যাচেও নিজের ছাপ রেখে গেলেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা। তার এক গোল ও এক অ্যাসিস্টে বেনিনকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা।
ম্যাচের শুরু থেকেই গোলের জন্য মরিয়া ছিলেন মেসি। প্রথমার্ধে অফসাইডের কারণে একটি সুযোগ হাতছাড়া হয়। পরে সাত গজ দূর থেকে ফাঁকা গোল পেয়েও বল বাইরে মেরে হতাশ করেন সতীর্থদের। তবে খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি তাকে।
বেনিনের এক ডিফেন্ডারের ফাউলে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। স্পটকিক নিতে এসে ঠান্ডা মাথায় নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান মেসি। গোলরক্ষক সঠিক দিকে ঝাঁপিয়েও তার শট ঠেকাতে পারেননি।
গোল করার পরও থামেননি মেসি। গোললাইন থেকে বল রক্ষা করতে পুরো গতিতে ছুটে যাওয়ার দৃশ্যেও তার প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতার প্রমাণ মেলে।
দ্বিতীয়ার্ধে আবারও মেসির অবদান। বক্সের বাইরে থেকে নিকো পাজকে দারুণ একটি পাস দেন তিনি। পাজ বাঁকানো শটে বল জালে পাঠিয়ে আর্জেন্টিনার ব্যবধান ২-০ করেন।
শেষ দিকে ফ্রি-কিক থেকেও গোলের চেষ্টা করেন মেসি। প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া তার শক্তিশালী শট অবশ্য বেনিনের গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দেন। এরপর ম্যাচের শেষ দিকে আরও এক গোল করে ৩-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।
ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে এসে মেসির খেলার ধরনেও এসেছে পরিবর্তন। আগের মতো দীর্ঘ দৌড় কিংবা একক প্রচেষ্টার চেয়ে সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার ভূমিকাই এখন বেশি দেখা যায় তার খেলায়। বেনিনের বিপক্ষে বিদায়ী ম্যাচেও সেটিই স্পষ্ট হয়েছে।
এক গোল ও এক অ্যাসিস্টে দলকে জয় এনে দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজের আরেকটি অধ্যায় শেষ করলেন ৪০ বছর বয়সী মেসি। বিদায়ের মঞ্চেও যে তিনি আলাদা—শেষ ম্যাচেও সেটিই যেন আবার মনে করিয়ে দিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

