পোয়েট্রি আউট লাউড

পোয়েট্রি আউট লাউড - the Bengali Times
পোয়েট্রি আউট লাউড প্রতি সংখ্যায় ইংরেজি ভাষায় রচিত অথবা বাংলা থেকে ইংরেজি ভাষায় অনুবাদিত বিপুল সংখ্যক কবিতা গল্প ও গদ্য প্রকাশ করে থাকে ২০২৫ সালের সংখ্যাটিতে রয়েছে বাংলাদেশ ও ভারতের কবি লেখকদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রচনা

গতবছর যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে প্রকাশিত সাহিত্য সাময়িকী পোয়েট্রি আউট লাউড (Poetry Out Loud – POL) প্রকাশ করেছিল তাদের সপ্তম সংখ্যাটি। এই সংখ্যায় যুক্ত হয়েছিল কানাডার সাহিত্য নিয়ে বিশেষ ক্রোড়পত্র। উল্লেখ করা যেতে পারে যে, পোয়েট্রি আউট লাউডের প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বরত আছেন লন্ডন প্রবাসী লেখক উদয় শংকর দুর্জয়। সম্পাদনা পরিচালক হিসেবে রয়েছেন বিশিষ্ট কবি ও অনুবাদক ড. গৌরাঙ্গ মোহান্ত। পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক হলেন কবি ডেভিড লী মরগান ও কবি অশোক কর। সম্পাদনা সহযোগী হিসেবে দায়িত্বরত আছেন লুইস হুয়াইবার্ড।

পোয়েট্রি আউট লাউড প্রতি সংখ্যায় ইংরেজি ভাষায় রচিত অথবা বাংলা থেকে ইংরেজি ভাষায় অনুবাদিত বিপুল সংখ্যক কবিতা, গল্প ও গদ্য প্রকাশ করে থাকে। ২০২৫ সালের সংখ্যাটিতে রয়েছে বাংলাদেশ ও ভারতের কবি-লেখকদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রচনা।

- Advertisement -

কানাডার সাহিত্য নিয়ে বাঙালি লেখক ও গবেষকদের পরিধিকে সবার সামনে তুলে ধরতে এবং বাঙালি পাঠককে কানাডার সাহিত্য বিষয়ে আগ্রহী করতে পোয়েট্রি আউট লাউড এ বছর উদ্যোগ গ্রহণ করে কানাডার সাহিত্য নিয়ে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশের।

সেই সংখ্যায় ১৯৭২ সালে প্রকাশিত কানাডার অগ্রগণ্য কবি ও সাহিত্য উদ্যোক্তা মার্গারেট অ্যাটউডের সারভাইভাল নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেছেন পণ্ডিতজন ড. দিলীপ চক্রবর্তী। বাংলাদেশে কানাডীয় সাহিত্যের পাঠ ও চর্চা নিয়ে লিখেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক প্রফেসর ড. রাশিদ আসকারী। কানাডীয় সাহিত্যে বিশ্বসাহিত্যের উপস্থিতি নিয়ে লিখেছিলাম আমি সুব্রত কুমার দাস। এছাড়া কানাডার আদিবাসী লেখকদের সাহিত্যকর্ম নিয়ে লিখেছেন শ্রেয়সী বোস দত্ত।

কানাডার প্রধান যে কবিদের কবিতা দিয়ে এই সংখ্যাটি সাজানো হয়েছিল তাঁরা হলেন অ্যান মাইকেলস, জর্জ এলিয়ট ক্লার্ক, এ এফ মরিৎজ এবং লিলিয়ান অ্যালেন। টরন্টোর প্রাক্তন তিন পোয়েট লরিয়েট এবং বর্তমান পোয়েট লরিটের কাব্যজগৎ ও কাব্য চর্চা নিয়ে লিখেছেন কানাডার চার বাঙালি লেখক সুজিত কুসুম পাল, সামিনা চৌধুরী, তাসমিনা খান এবং মম কাজী।

ক্রোড়পত্রের সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলাম আমি সুব্রত কুমার দাস।

এই সংবাদটি যত্নসহকারে প্রকাশ করার জন্য আবারও বাংলা কাগজ এবং তার সম্পাদক মনিস রফিককে অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানাই।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles