16.2 C
Toronto
রবিবার, জুন ১৬, ২০২৪

পিল রিজিয়নের বিপুল সংখ্যক শিক্ষাকর্মী চাকরিচ্যুত

পিল রিজিয়নের বিপুল সংখ্যক শিক্ষাকর্মী চাকরিচ্যুত
পিল ডিস্ট্রিক্ট স্কুল বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত শিক্ষা সহকারীদের প্রতিনিধিত্বকারী ইউনিয়ন ওপিএসইইউ নতুন স্কুলবর্ষ শুরু হওয়ার কয়েকদিন বাকি থঠশতে প্রায় ৫০০ শিক্ষঅ সহকারীকে চাকরিচ্যুত করার কথা জানিয়েছে

পিল ডিস্ট্রিক্ট স্কুল বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত শিক্ষা সহকারীদের প্রতিনিধিত্বকারী ইউনিয়ন ওপিএসইইউ নতুন স্কুলবর্ষ শুরু হওয়ার কয়েকদিন বাকি থঠশতে প্রায় ৫০০ শিক্ষঅ সহকারীকে চাকরিচ্যুত করার কথা জানিয়েছে। ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মেলোডি হারর্টুরাইস এক সাক্ষাৎকারে বলেন, গত সপ্তাহে মোট ৪৮৭ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭২ জন বিশেষ শিক্ষার শিক্ষঅ সহকারী হিসেবে কাজ করছিলেন। বাকি ১১৫ জন চাইল্ডহুড এডুকেটর। স্থায়ী কর্মকর্তাদের পরিবর্তে শিক্ষা সহকারীদের ক্যাজুয়াল পুল থেকে তাদেরকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এমনিতেই আমরা কর্মী স্বল্পতার মধ্যে রয়েছি। ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পদ যে খালি ছিল সেগুলো আর পূরণ করা হয়নি। বিশেষ শিক্ষা সহকারী আমাদের খুব বেশি দরকার। চাকরিচ্যুতির নোটিশগুলো শুক্রবার সন্ধ্যায় ইস্যু করা হয়েছে, যা একেবারেই গ্রহণয্গ্যো নয়।
পিল ডিস্ট্রিক্ট স্কুল বোর্ডের (পিডিএসবি) প্রতিনিধিরা সিপি২৪কে বলেন, এই চাকরিচ্যুতির কারণ গত স্কুলবর্ষে শিক্ষা সহকারীদের যথেষ্ট সংখ্যক দিন কাজ না করা। ওপিএসইইউ এবং ওডিএসবির মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির আওতায় তাদের কাজ করার কথা কমপক্ষে ৪০ দিন।

- Advertisement -

পিডিএসবির তথ্য অনুযায়ী, চাকরিচ্যুত ব্যক্তিরা হয় একেবারেই কাজ করেনি অথবা ন্যুনতম দিনও দায়িত্ব পালন করেনি। অথবা বার্ষিক ফৌজদারি ইতিহাস প্রকাশ করার যে বাধ্যবাধকতা তাও তারা পরিপালন করেনি।
পিল ডিস্ট্রিক্ট স্কুল বোর্ড বলছে, গত স্কুলবর্ষ থেকে তারা ক্যাজুয়াল পুলে প্রায় ৫০০ শিক্ষা সহকারী যুক্ত করেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও সংখ্যাটি সিপি২৪কে নিশ্চিত করেছে।

তবে হার্টাবাইস ও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অন্য শিক্ষা সহকারী সিপি২৪কে বলেন, সাম্প্রতিক এই চাকরিচ্যুতির ব্যাপারে বোর্ড যে হিসাব দিয়েছে তা সঠিক নয়। চাকরিচ্যুত অধিকাংশ সদস্যই প্রয়োজনীয় সময় পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছে। অথবা তারা কর্মক্ষেত্রে আঘাতজনিত কারণে ডব্লিউএসআইবি ছুটিতে ছিলেন। এদের অনেকেই নিয়োগ পেয়েছেন গত স্কুণবর্ষের শেষ দিকে। সুতরাং তাদের কর্মঘণ্টার বিষয়টি আলাদা হবে।

এই গণ চাকরিচ্যুতির শিকার এক শিক্ষা সহকারী গত বছর কর্মক্ষেত্রে আহত হয়ে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। পুরোনো চাকরির বেতন না পাওয়া পর্যন্ত তার পক্ষে তাদের পক্ষে কাজে ফেরা এই মুহূর্তে অসম্ভব।

তারা বলছেন, আমরা কাজে ফিরতে চাই। আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের ভালোবাসি। আমরা চাকরিটিও ভালোবাসি। পৃথিবীতে সেরা মানুষ তারাই এবং আমরা কাজে ফিরতে চাই। কিন্তু আহত থাকায় সেটা করকেত পারিনি। এখন যা হলো তা একেবারেই ন্যায্য নয়।

 

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles