15.7 C
Toronto
রবিবার, মে ১৯, ২০২৪

শিশুদের বিষণ্নতার কারণ ‘স্ক্রিন টাইম’

শিশুদের বিষণ্নতার কারণ ‘স্ক্রিন টাইম’

নতুন একটি গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুরা কতোক্ষণ মোবাইল বা ডিজিটাল ডিভাইসের পর্দায় চোখ (স্ক্রিন টাইম) রাখে তার সঙ্গে তাদের উদ্বেগ বা বিষণ্নতার সংযোগ রয়েছে। কানাডার নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড লার্নিং ডিজঅর্ডার বিশেষজ্ঞ এমা ডুয়ের্ডেনের নেতৃত্বে ওই গবেষণায় আরও দেখা গেছে, করোনা মহামারীর সময় শিশুরা সাধারণ সময়ের চেয়েও দ্বিগুণ সময় বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসে চোখ রেখেছে।

- Advertisement -

গবেষণা প্রতিবেদনটি বিএমসি সাইকোলজিতে জুলাই মাসে প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণাটি ডুয়ের্ডেনের পূর্বের গবেষণার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এতে তিনি দেখিয়েছেন, মহামারী চলাকালে শিশুরা দৈনিক ৬ ঘণ্টা করে স্ক্রিনে সময় ব্যয় করেছে।

যদিও আগের পরিসংখ্যানে কিছু শিশুর ক্ষেত্রে দেখা গেছে দৈনিক ১৩ ঘণ্টা পর্যন্ত স্ক্রিনের সঙ্গে সেঁটে রয়েছে তারা- যা তাদের জেগে থাকার প্রায় পুরোটা সময়। তবে গবেষক বলছেন, মহামারীর সময়টা সবার জন্যই ছিল কঠিন পরিস্থিতি। তিনি আরও জানান, আমরা ভেবেছিলামÑ সেটি ছিল একটি বিচ্ছিন্ন সময়। কিন্তু মহামারী কেটে যাওয়ার পর আমরা কানাডার অভিভাবকদের কাছ থেকে তাদের সন্তানদের ‘স্ক্রিন টাইমের’ ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ শুরু করি। সেখানেও দেখা যায়, শিশুরা চার ঘণ্টার বেশি বিভিন্ন ডিভাইসে চোখ রাখছে। কিন্তু কানাডার সরকারি গাইডলাইন বলছে, ৫ বছরের বেশি বয়সি শিশুরা যেন দুই ঘণ্টার বেশি ডিভাইসে চোখ না রাখে।

স্নায়ু বিজ্ঞানী ডুয়ের্ডেন আরও জানিয়েছেন, যারা শিশু বয়স থেকেই বিভিন্ন ডিভাইসের স্ক্রিনে চোখ রেখে অভ্যস্ত হয়ে যান, তাদের বড় হয়েও এর প্রতি নির্ভরশীলতা তৈরি হয়। একই সঙ্গে তার গবেষণা বলছে, ‘স্ক্রিন টাইমের’ সঙ্গে শিশুদের বিষণ্নতা ও উদ্বেগের বেশ যোগাযোগ রয়েছে। বিষয়টি শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলে। তবে এ নিয়ে গবেষণা এখনো চলমান, সামনের দিনে এ বিষয়ে আরও সুস্পষ্ট ফলাফল আশা করছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা।

সূত্র : মেডিক্যাল এক্সপ্রেস

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles