প্রথমবার প্রতিক্রিয়া জানালেন আরিয়ান খান

- Advertisement -
আরিয়ান খান

ঘরের ছেলে ঘরে ফিরেছে। গেলো এক মাসের অন্ধকার কাটিয়ে কিং খানের মান্নাত-এ বইছে খুশির জোয়ার। তবে গেলো এক মাসে আরিয়ান খানের মনের ওপর যে ঝড় বয়ে গেছে, নিজের ঘরে ফিরে এলেও সেই ভয়াবহতাকে ভুলে যাওয়া কঠিন। বাড়ি ফিরেই বাবা-মাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদেছেন শাহরুখপুত্র। কারামুক্তির পর এই প্রথমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় নীরবতা ভাঙলেন ২৩ বছর বয়সী এই তারকা সন্তান।

ইনস্টাগ্রামে নিজের অ্যাকাউন্টের প্রোফাইল ছবিটি ডিলিট করে দিয়েছেন আরিয়ান। এখন সেখানে ফাঁকা, শূন্যতা। এই ডিলিটের মাধ্যমে আরিয়ান যেন নিজেকে আরও আড়াল করে নিলেন। তবে ২০১৩ সালে ইনস্টাগ্রামে অ্যাকাউন্ট খুললেও এ পর্যন্ত মাত্র ২৪টি পোস্ট দিয়েছেন তিনি। ১৯ লাখের বেশি অনুসারী রয়েছে তার। তিনি ফলো করেন মাত্র ৪৩৭ জনকে।

- Advertisement -

বন্দিদশার ইতি টানলেও আরিয়ানের জামিন খুব সহজ হবে না। আদালতের বেশ কিছু নির্দেশ মেনে চলতে হবে তাকে। তিনি আর দশজনের মতো স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারবেন না। শাহরুখপুত্রের জন্য পাঁচ পাতাজুড়ে রয়েছে নির্দেশ, যা মেনে চলতে হবে তাকে। গেলো শুক্রবার (২৯ অক্টোবর) ভারতের মুম্বাই হাইকোর্টের পক্ষ থেকে আরিয়ানের জামিনের জন্য নানান শর্তারোপ করা হয়। বিস্তারিত ওই শর্তাবলি জেনে নিন-

১. এক লাখ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পাবেন আরিয়ান, সঙ্গে থাকতে হবে একজন সিউরিটি। উল্লেখ্য, আরিয়ানের সিউরিটি হয়েছেন জুহি চাওলা।

- Advertisement -

২. এই ধরনের কোনো পার্টির অংশ হতে পারবেন না আরিয়ান খান।

- Advertisement -

৩. এই মামলার সহ-অভিযুক্তর সঙ্গে কোনোরকম যোগাযোগ রাখা যাবে না। সুতরাং, ছেলেবেলার বন্ধু আরবাজের সঙ্গে কথা বন্ধ আরিয়ানের। এই মামলার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যোগাযোগ রয়েছে এমন কারও সঙ্গেই যোগাযোগ রাখা যাবে না।

৪. এনডিপিএস আদালতে পাসপোর্ট জমা দিতে হবে আরিয়ানকে, ছাড়া যাবে না দেশ। প্রয়োজনে নিতে হবে এনডিপিএস আদালতের অনুমতি।

৫. তদন্তের সঙ্গে জড়িত কোনো সাক্ষীকে প্রভাবিত করা বা তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টা থেকে বিরত থাকবে অভিযুক্ত।

৬. সংবাদমাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনোরকম মন্তব্য করা যাবে না।

৭. মুম্বাইয়ের বাইরে যেতে হলে এই মামলার তদন্তকারী অফিসারকে আগে থেকে জানাতে হবে এবং তার অনুমতি নিতে হবে।

৮. প্রত্যেক শুক্রবার এনসিবির দপ্তরে হাজিরা দিতে হবে আরিয়ান খানকে। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত উপস্থিত থাকতে হবে।

৯. মামলার শুনানির দিন অবশ্যই আদালতে হাজিরা দিতে হবে।

১০. তদন্তে যোগ দিতে এনসিবি কর্মকর্তাদের ডাকে সাড়া দিতে হবে, তাদের সঙ্গে সবরকম সহায়তা করতে হবে।

১১. ট্রায়াল শুরু হলে কোনোভাবেই সেই প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করবার চেষ্টা করা যাবে না।

১২. উপরোক্ত কোনো শর্ত যদি অমান্য করা হয়, তাহলে এনসিবির পক্ষে এনডিপিএস আদালতে আবেদন জানানো যাবে অভিযুক্তর জামিন খারিজের জন্য।

ওপরের প্রত্যেকটি নির্দেশই বর্তমানে মেনে চলতে হবে আরিয়ান খানকে। মুম্বাইয়ের আর্থার রোড জেল থেকে মুক্তি পেয়ে ‘মান্নত’-এ ফিরলেও আপাতত পুরোপুরি নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন না আরিয়ান। তবে দীপাবলি এবং শাহরুখের জন্মদিনের আগেই ছেলে বাড়ি ফেরায় স্বস্তির হাওয়া লেগেছে পরিবারে।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles