5.3 C
Toronto
বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৪

অশ্লীল ভিডিও দেখে তালাক, দুই সন্তান রেখে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী

অশ্লীল ভিডিও দেখে তালাক, দুই সন্তান রেখে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী
স্ত্রীর অশ্লীল ভিডিও দেখে তালাক দেন মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী স্বামী

স্ত্রীর অশ্লীল ভিডিও দেখে তালাক দেন মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী স্বামী। এরপর দুই সন্তান রেখে উধাও হয়ে গেছেন মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসীর স্ত্রী। মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
আত্মগোপনে থেকে অপহরণ কিংবা গুম নাটক করে যাতে হয়রানি না করতে পারে এ ব্যাপারে সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রবাসী পরিবার। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় চলছে।

জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী ও উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের জুনাব আলীর সঙ্গে একই ইউনিয়নের ট্রাট্রউলি গ্রামের এক মেয়ের (৩৫) সঙ্গে ১২-১৩ বছর আগে বিয়ে হয়। আল আমিন (১০) ও আমিনুল (৭) নামক তাদের ২ ছেলে সন্তান রয়েছে।

- Advertisement -

সোমবার ১৯ জুন সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসীর ভাই মো. আইয়ুব আলী অভিযোগ করেন, ভাই বিদেশে থাকার সুযোগে তার স্ত্রী দিলারা বেগম পরকীয়ায় লিপ্ত হয়। বিষয়টি নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বিবাদ চলছিল। এরমধ্যে স্ত্রীর কিছু অশ্লীল ভিডিও পান স্বামী। জুনাব আলী প্রবাস থেকে গত ২৪ মে স্ত্রী দিলারা বেগমকে তালাক প্রদান করেন। গত ২৫ মে রাতে ২ সন্তানকে ঘুমে রেখে উধাও হন দিলারা বেগম।

সংবাদ সম্মেলনে দিলারা বেগমের বড় ছেলে ১০ বছর বয়সি আল আমিন জানায়, ওই রাতে তার মামা কুটন মিয়া তাদের বাড়িতে আসেন। মামা ও তার মা অন্যরুমে কথা বলার সময় তারা ২ ভাই ঘুমিয়ে পড়ে। পর দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে তার মাকে না পেয়ে বিষয়টি চাচা ও ফুফুদের জানায়।

প্রবাসীর ভাই আকবর আলী, বোন ফজিরুন বেগম ও ভাগ্না ইসমাইল আলী জানান, দিলারা বেগমকে অপহরণ করা হয়েছে উল্লেখ করে তার ভাই কুটন মিয়া এলাকায় প্রচারণা এবং প্রবাসীর পরিবারকে হয়রানির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। পুলিশ দিয়ে গ্রেফতারের ভয় দেখাচ্ছে।

কর্মধা ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য মাহমুদা আক্তার জানান, আমি এ ধরনের একটি ঘটনা শুনেছি। তবে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ কিছু জানায়নি।

এ বিষয়ে দিলারা বেগমের ভাই কুটন মিয়ার সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনে কল দিলে তার স্ত্রী জানান, তিনি ফোন রেখে কাজে গেছেন। আমি এসব বিষয়ে কিছু বলতে পারব না।

এ ব্যাপারে কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুছ ছালেক জানান, প্রবাসীর স্ত্রী অপহরণ বা নিরুদ্দেশ এমন কোনো ঘটনা লিখিত বা মৌখিকভাবে আমাকে কেউ অবগত করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles