অন্যের স্ত্রীকে নিয়ে পালালেন বিবাহিত যুবলীগ নেতা

- Advertisement -

রাসেল আহাম্মেদ

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে নিজের স্ত্রীকে রেখে রাসেল আহাম্মেদ (৩২) নামে এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে অন্যের কলেজ পড়ুয়া স্ত্রীকে নিয়ে পালানোর অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার শরীয়তপুর আদালতে যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা করেছেন ওই ছাত্রীর স্বামী মামুন মোল্লা। ওই যুবলীগ নেতা তার বাসা থেকে ৩ লাখ টাকাসহ স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

- Advertisement -

বিবাহিত রাসেল আহাম্মেদ চরভাগা ইউনিয়নের গৌরঙ্গবাজার এলাকার বাসিন্দা। তিনি চরভাগা ইউনিয়ন যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক। এছাড়া তিনি সখীপুর হাজী শরীয়তউল্লাহ কলেজের নিম্নমান সহকারী (করণিক)।

পালিয়ে যাওয়া ওই গৃহবধূ কেয়া আক্তার (২৩) সখিপুর ইউনিয়নের রাড়ী কান্দি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি হাজী শরীয়তউল্লাহ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। তার ৪ বছর বয়সী একটি ছেলে আছে।

স্থানীয়রা জানান, ২০১৬ সালে সখীপুরের ডিএমখালী ইউনিয়নের এক যুবকের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় কেয়ার। কেয়া হাজী শরীয়তউল্লাহ কলেজে পড়াশোনা করেন। সে সুবাদে কলেজের নিম্নমান সহকারী রাসেল আহাম্মদের সঙ্গে কেয়ার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

গত ১৭ অক্টোবর সকালে সখীপুর এলাকা থেকে যুবলীগ নেতা রাসেল আহাম্মদ তার স্ত্রীকে রেখে কলেজ ছাত্রী কেয়া আক্তারকে নিয়ে পালিয়ে যান। তারা এখনো নিখোঁজ আছেন। ওই ঘটনার পর ১৯ অক্টোবর কেয়া আক্তারের মা মারা গেছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

হাজী শরীয়তউল্লাহ কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বাশার আল আজাদ বলেন, রাসেলকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে তার স্ত্রী ও মা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আমিও তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাই। পরে জানতে পারি কলেজের ছাত্রী কেয়াকে নিয়ে রাসেল পালিয়েছে। কলেজ গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাসেলের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান হাওলাদার বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে কেউ থানায় এসে অভিযোগ করেনি।

সখীপুর থানা যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুল খালেক খালাসি বলেন, রাসেল যে ঘটনাটি ঘটিয়েছে তা নিন্দনীয়। দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে রাসেলকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles