6 C
Toronto
বুধবার, ফেব্রুয়ারী ৮, ২০২৩

আগামী বছরও খাদ্যের দাম বাড়তিই থাকবে

আগামী বছরও খাদ্যের দাম বাড়তিই থাকবে
খাদ্য মূল্যস্ফীতি থেকে এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না কানাডিয়ানরা

খাদ্য মূল্যস্ফীতি থেকে এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না কানাডিয়ানরা। নতুন এক গবেষণা বলছে, নতুন বছরে কানাডায় খাদ্যের দাম আরও বাড়বে। ২০২৩ সালে মুদিপণ্যের দাম ৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

কানাডার ফুড প্রাইস প্রতিবেদনের ১৩তম সংস্করণে বলা হয়েছে, চার সদস্যের একটি পরিবারের খাবারের খরচ আগামী বছর বেড়ে দাঁড়াবে ১৬ হাজার ২৮৮ ডলারে। চলতি বছরের চেয়ে অংকটা ১ হাজার ৬৫ ডলার বেশি।

- Advertisement -

গত সোমবার ফুড প্রাইস রিপোর্টের ১৩তম সংস্করণ প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদন ও স্ট্যাটিস্টিকস কানাডার তথ্য অনুযায়ী, ৪০ এর কোঠার একজন কানাডিয়ান সিঙ্গেল নারীকে মুদিপণ্য বাবদ ৩ হাজার ৭৪০ ডলার খরচ করতে হবে। একই বয়সের একজন সিঙ্গেল পুরুষকে খরচ করতে হবে ৪ হাজার ১৬৮ ডলার।

শ্লথ হয়ে আসার আগে ২০২৩ সালের প্রথমার্ধে খাদ্য মূল্যস্ফীতি উচ্চ থাকবে। ২০২৩ সালের প্রথমার্ধটা হবে চ্যালেঞ্জিং। তবে এর একটা সমাপ্তি আমরা দেখতে পাচ্ছি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একাধিক বিষয় আগামী বছর খাদ্যের দামে প্রভাব ফেলতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন, ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত, জ¦ালানির মূল্য বৃদ্ধি এবং কোভিড-১৯ এর বিলম্বিত প্রভাব। মুদ্রা বিনিময়ের হারের ওঠানামাও খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। উদাহরণ হিসেবে, দুর্বল কানাডিয়ান মুদ্রা লেটুসের মতো পণ্য আমদানিকে ব্যয়বহুল করে তুলবে।

এ বছরের গোড়ার দিকে এক লুনিতে পাওয়া যেত আমেরিকান মুদ্রার ৮০ সেন্ট। এরপর অক্টোবরে তা ৭২ দশমিক ১৭ সেন্টে নেমে আসে। সাম্প্রতিক সপ্তাহে তা ৭৪ সেন্টে ঘোরাফেরা করছে। শুক্রবার এক কানাডিয়ান ডলারের দাম ছিল ৭৪ দশমিক ২৫ মার্কিন সেন্ট।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী বছর সবচেয়ে বেশি বাড়বে সবজির দাম। এর দাম ৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। মুদ্রার ঝুঁকি ছাড়াও কানাডায় বিক্রি হওয়া বেমিরভাগ পণ্যই আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। কিন্তু তারাও অত্যধিক শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে পণ্য উৎপাদনে সংকটের মধ্যে রয়েছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের পম্চিমাঞ্চল বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়ায় এল নিনো, খরা ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। এটা আমাদের ফল এবং সবজির সরবরাহ ও দামের ওপর প্রভাব ফেলছে। খরার কারণে লেটুসের উৎপাদন ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। এটা ফসলের আকার কমিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের জন্যও দায়ী। যার ফলে বাজারে এর জোগান কমে গেছে।

This article was written by Sohely Ahmed Sweety as part of the LJI.

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles