5.6 C
Toronto
মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ৬, ২০২২

যে কারণে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই চাকরি গেল তথ্য সচিবের

যে কারণে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই চাকরি গেল তথ্য সচিবের

মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তথ্য ও সমপ্রচার সচিব মো. মকবুল হোসেনকে চাকরি থেকে অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রেসিডেন্টের আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তথ্য ও সমপ্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মকবুল হোসেনকে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৫ অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে অবসর দেয়া হলো।

- Advertisement -

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা ও তদন্ত অণুবিভাগ এটা নিশ্চিত করেছে যে, মকবুল হোসেনের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল না। কোনো বিভাগীয় মামলাও তার বিরুদ্ধে রুজু হয়নি।

অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে, তথ্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে জনপ্রশাসন পদক পেয়েছিলেন মকবুল। এতদিন ধরে সুনামের সঙ্গে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছেন। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মন্ত্রীর সঙ্গে মতভিন্নতার কারণে মকবুল হোসেনকে সরিয়ে দেয়া হয়ে থাকতে পারে। অনুদানের ছবি এবং বিভিন্ন মিশনে কাউন্সিলর (তথ্য) নিয়োগ নিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সচিবের মতপার্থক্য ছিল।

এ ছাড়া বেতার ও এফডিসি’র কেনাকাটা নিয়েও দু’জনের মধ্যে মতদ্বৈধতা ছিল বলে সূত্রের দাবি।

বেসরকারি কয়েকটি টিভি চ্যানেলকে চিঠি দেয়া নিয়েও ভিন্নমত ছিল।

বর্তমান সরকারের সময়ে দুইজন তথ্য সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হলো। এর আগে তথ্য সচিব আতম ফজলুল করিমকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।

সরকারি চাকরি আইনের ৪৫ নম্বর ধারায় বলা আছে, কোনো সরকারি কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পর যেকোনো সময় সরকার জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় মনে করলে কোনো কারণ না দেখিয়ে চাকরি থেকে অবসর প্রদান করতে পারবে। তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ, সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে। ২০২৩ সালের ২৫শে অক্টোবর অবসর গ্রহণের কথা ছিল মো. মকবুল হোসেনের। এক বছর আগেই তাকে অবসরে পাঠানো হলো। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্য ও সমপ্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, আদেশ হয়েছে শুনেছি, তবে কী কারণে হয়েছে জানা নেই।

মকবুল হোসেন জানিয়েছেন, চাকরি থেকে অবসর নিতে তিনি কোনো আবেদন করেননি।

মকবুল হোসেন ২০২১ সালের ৩১শে মে তথ্য ও সমপ্রচারের সচিব পদে যোগ দেন। এই পদে যোগ দেয়ার আগে তিনি যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরে রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১০ম ব্যাচের কর্মকর্তা হিসেবে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেন তিনি।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles