22.7 C
Toronto
বুধবার, আগস্ট ১৭, ২০২২

হোটেলে ‘একান্ত সময়’ কাটানোর কথা বলে কলেজছাত্রকে তুলে নিলেন তরুণী

- Advertisement -

ফেসবুকে পরিচয়। আর এ পরিচয় থেকেই দেখা করতে গেলে ‘একান্ত সময়’ কাটাতে সোহাগ নামে এক কলেজছাত্রকে হোটেলে নিয়ে যান তরুণী। কিন্তু হোটেলে যাওয়ার পর তাকে অপহরণ করে তরুণীসহ আরো চারজন। অবশেষে সোহাগকে উদ্ধার করাসহ চার অপহরণকারীকে গ্রেফতার করেছে রাজধনীর মিরপুর মডেল থানা পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- লুৎফুন নাহার তন্বী, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. মাসুদ রানা ও মো. স্বপন। এ সময় অপহরণে ব্যবহৃত সিএনজি ও ৩টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

মিরপুর মডেল থানার ওসি মো. মোস্তাজিরুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, ফেসবুকে নার্সিং কলেজের ছাত্র ভিকটিম সোহাগের সঙ্গে লুৎফুন নাহার তন্বীর পরিচয় হয়। তন্বী নিজেকে মাস্টার্স পাশ অবিবাহিত তরুণী হিসেবে পরিচয় দেন।

তিনি জানান, তাদের মোবাইলে দীর্ঘ দিন ধরে কথাবার্তা চলে। তন্বী মোবাইলে সোহাগকে মিরপুর-১ নম্বর ফুট ওভার ব্রিজের নিচে দেখা করতে বলে। পরে ২০ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টায় সোহাগ সেখানে এলে তারা মিরপুর-১ নম্বরের হোটেল রোজ ভিউ এর একটি রুমে যান। পরিকল্পনা অনুযায়ী তন্বী হোটেল কক্ষ থেকে এসএমএস-এর মাধ্যমে শফিকুল, মাসুদ ও স্বপনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

শফিকুল নিজেকে সিআইডি অফিসার হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভিকটিমের মোবাইল ছিনিয়ে নেন। একপর্যায়ে কৌশলে তন্বী ঘটনাস্থল থেকে সরে যান। পরে শফিকুল, মাসুদ ও স্বপন ভিকটিম সোহাগকে সিআইডি অফিসে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতালের সামনে থেকে একটি সিএনজি ভাড়া করে।

আসামিরা সিএনজিতে ভিকটিমের হাত ও মুখ চেপে ধরে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে ২ লাখ টাকা দাবি করেন। এ সময় সোহাগের আসামিদের পুলিশ বলে সন্দেহ হলে টেকনিক্যাল মোড়ে পুলিশের গাড়ি দেখে চিৎকার করেন। চিৎকার শুনে টহল পুলিশ সিএনজির পিছু ধাওয়া করে পাইকপাড়া ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে থেকে সিএনজিটি আটক করে ভিকটিম সোহাগকে উদ্ধার ও ৩ আসামিকে গ্রেফতার করে।

মিরপুর মডেল থানার ওসি আরো জানান, গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যে মিরপুর-১ নম্বর গোল চত্ত্বর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তন্বীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মিরপুর মডেল থানায় রুজুকৃত মামলায় ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সূত্র : ডেইলি বাংলাদেশ

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles