4.9 C
Toronto
মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৬, ২০২১

এ যেনো ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা!

এডিথ ব্লেইজ বন্দিদশা নিয়ে স্মৃতিচারণা করেছেন…ছবি/এপি

কুইবেকের বাসিন্দা এডিথ ব্লেইজ ব্লেইজ ও তার এক সময়ের বয়ফ্রেন্ড টাচেট্টো ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে বেনিন সীমান্ত দিয়ে যাওয়ার পথে পশ্চিম বুরকিনো ফাসোতে একদশ সশস্ত্র ইসলামী জঙ্গীর হাতে অপহৃত হন। ৪৫০ দিন পর মালিতে অপহরণকারীদের হাত থেকে পালাতে সফল হওয়ার পর তারা সংবাদের শিরোনাম হন। ব্লেইজ সঙ্গে করে এক জগ পানি ও বন্দী অবস্থায় লেখা ৫৭টি কবিতা নিয়ে আসেন।

কুইবেকের বাসিন্দা এডিথ ব্লেইজ মালিতে তার ১৫ মাসের বন্দিদশা নিয়ে স্মৃতিচারণা করেছেন। তিনি বলেছেন, এর মধ্যে ২৫০ দিনই মনে হয়েছিল এই জীবন তার নয়। আবার তিনি ফিরে আসতে পারবেন এটা ছিল তার ধারণার বাইরে।

ভ্রমণ সঙ্গী লুকা টাচেট্টো ও অন্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর বন্দী হন ব্লেইজ। এরপর তিনি নিজেকে অস্ত্রধারী একদল লোককে নিয়ে সাহারার দিকে ছুটে চলা একটি ট্রাকের মধ্যে নিজেকে আবিস্কার করেন। আসন্ন বিপদ ছাড়াও ওই মুহূর্তে তার যে অনুভূতি হয়েছিল তা জমে যাওয়ার মতো।

ব্লেইজ বলেন, ওই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি আমি হারিয়ে ফেলেছিলাম। আমি ছিলাম তাদের হাতের পুতুল। আমি ছিলাম তাদের হাতে বন্দী। ঠিক যেনো একটা সম্পদ।

ব্লেইজ ওই সময়ের সব কথা পর্যায়ক্রমে লিপিবদ্ধ করেছেন ফ্রেঞ্চ ভাষায় প্রকাশিত তার বই ‘দ্য ওয়েট অব স্যান্ড’এ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, কোভিড-১৯ না এলে বইটা হয়তো লেখাই হতো না। কুইবেকের শারব্রুকে ফেরার পর তাকে দুই সপ্তাহের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে যেতে হয়েছিল। ওই সময়ই তার অভিজ্ঞতার কথা পরিবার ও বন্ধুদের জন্য লিখে রাখার সিদ্ধান্ত নেনে তিনি।

ব্লেইজ বলেন, প্রথমে আমি তাদের জন্যই লিখতে শুরু করি। প্রতিদিনই আমি লিখতাম। কারণ, আমার কিছু করার ছিল না সে সময়। আমি কোয়ারেন্টিনে ছিলাম। এরপর আর থামিনি, শুধু লিখেই গেছি।

৩৭ বছর বয়সী ব্লেইজ বলেন, বন্দ্বিত্বের দিনগুলোতে তার কাছে সবচেয়ে কঠিনতম অংশটি ছিল অনিশ্চয়তা। কি ঘটতে যাচ্ছে কিছুই জানতাম না। একটা বিষয়ই জানতাম এবং তা হলো কেউ এখান থেকে বেরোতে পারে না।

- Advertisement - Visit the MDN site

Related Articles

- Advertisement - Visit the MDN site

Latest Articles