15.3 C
Toronto
রবিবার, মে ২২, ২০২২

ঈদের পরেই রাজনীতিতে সক্রিয় হব : কাদের সিদ্দিকী

- Advertisement -
ঈদের পরেই রাজনীতিতে সক্রিয় হব : কাদের সিদ্দিকী - The Bengali Times

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী (বীর উত্তম)

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী (বীর উত্তম) বলেছেন, ‘রমজান ও ঈদের পরেই আমরা রাজনীতিতে নামব। করোনার সময় আমরা আড়াই বছর সাংগঠনিক কোনো কাজ করতে পারিনি। করোনার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। এবার দলীয় কার্যক্রম সক্রিয় করব।’

আজ বৃহস্পতিবার বিকালে টাঙ্গাইল শহরের নিজের প্রতিষ্ঠিত সোনার বাংলা মিলনায়তনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

- Advertisement -

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘যারা যখন ক্ষমতায় থাকেন তারা যেমন মধু খান, আবার তাদের একেক সময় বিষও খেতে হয়। এটা নিয়ে আমাদের মাতামাতি না করাটায় ভালো। কারো সমালোচনা না করে মানুষকে সম্মান দিতে শিখতে হবে। তাহলে সম্মান পাওয়া যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ আমি আওয়ামী লীগকে কিছু বলতে আসিনি। বলতে চাইও না। কিন্তু দেশের মানুষ খুব দুর্ভোগে। যে সরকার ক্ষমতায় আসুক না কেন তাদের সবসময় ভাবতে হবে, সরকার থেকে কখন চলে যাব। মানুষের মৃত্যু যেমন অবধারিত, সরকার থেকে একদিন চলে যেতে হবে সেটাও অবধারিত। মানুষকে কিছু দিতে না পারলেও মানুষকে অন্তত সম্মান দিতে হবে। তাহলেই মানুষ খুশি হবে। তবে মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার সেটা দেখানোর জন্য নয়, নাটক করার জন্য নয়।’

কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘গত নির্বাচনের সময় আমাদের কয়েকশ’ কর্মীর ওপর মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল। কয়েকজন গ্রেফতারও হয়েছিল। আমার একজন কর্মী গ্রেফতাতারদের ছাড়াতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছে। যেভাবেই হোক কর্মীদের শ্রমে আমি অভিভূত। এরকম কর্মী একটি দলে থাকলে সে দলকে কেউ থামিয়ে রাখতে পারে না।’

কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘যতোটুকু কাজ করবে, গুরুত্ব দিয়ে করবে। আমি টাকা পয়সা উপার্জনের জন্য রাজনীতি করি না। আমি নেতা হওয়ার জন্য রাজনীতি করি না। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করার জন্য রাজনীতি করি। এতদিন যখন আল্লাহ আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন, আমার বিশ্বাস দেশের জন্য কিছু করার জন্যই বাঁচিয়ে রেখেছেন।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খোকা (বীর বিক্রম), জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলার নেতাকর্মীরা। আলোচনা শেষে বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়ার আয়োজন করা হয়।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles