ধর্মঘট-সংক্রান্ত ভোটাভুটিতে অন্টারিওর ইংলিশ ক্যাথলিক শিক্ষকরা

ধর্মঘট-সংক্রান্ত ভোটাভুটিতে অন্টারিওর ইংলিশ ক্যাথলিক শিক্ষকরা - the Bengali Times
ধর্মঘটে যাওয়ার বিষয়ে সদস্যদের মতামত জানতে নভেম্বরে ভোটাভুটির আয়োজন করতে চলেছেন অন্টারিওর ইংলিশ ক্যাথলিক শিক্ষকরা

কর্মচুক্তি নিয়ে প্রদেশের সঙ্গে আলোচনা এখনও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিতে পৌঁছায়নি। এই পরিস্থিতিতে ধর্মঘটে যাওয়ার বিষয়ে সদস্যদের মতামত জানতে নভেম্বরে ভোটাভুটির আয়োজন করতে চলেছেন অন্টারিওর ইংলিশ ক্যাথলিক শিক্ষকরা। তবে এই ভোটের অর্থ এখনই ধর্মঘট শুরু হচ্ছে এমনটা নয় বলে স্পষ্ট করেছে শিক্ষক সংগঠন।

অন্টারিও ইংলিশ ক্যাথলিক টিচার্স’ অ্যাসোসিয়েশন সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া এক বার্তায় জানিয়েছে, প্রস্তাবিত ধর্মঘটের ভোট মূলত সরকারের কাছে একটি বার্তা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম। দর-কষাকষির টেবিলে যাতে অর্থপূর্ণ ও দ্রুত অগ্রগতি হয়, সেটিই সংগঠনের অন্যতম প্রধান দাবি।

- Advertisement -

শিক্ষক সংগঠনের বক্তব্য, শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের কাছে স্কুলে স্থিতিশীল পরিবেশ কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা শিক্ষকরা ভালোভাবেই বোঝেন। কিন্তু একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের অর্থসংকট, কর্মী ঘাটতি এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার অভাব শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ওপরও প্রভাব ফেলছে বলে তাদের দাবি।

অন্টারিও ইংলিশ ক্যাথলিক টিচার্স’ অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, শিক্ষার পরিবেশের উন্নতি এবং সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত স্কুলব্যবস্থার মান বজায় রাখার দাবি তোলা শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষারই অংশ। সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, ১২ ও ১৩ নভেম্বরের ভোটের আগে সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে। ধর্মঘটের পক্ষে কোনও ম্যান্ডেট দেওয়ার আগে যাতে শিক্ষকরা আলোচনার পরিস্থিতি, সম্ভাব্য পদক্ষেপ এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য পান, সেই উদ্দেশ্যেই এই বৈঠক।

অন্টারিও ইংলিশ ক্যাথলিক টিচার্স’ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট রেনে ইয়ানসেনও স্পষ্ট করেছেন, ধর্মঘটের ভোট হওয়ার অর্থ ধর্মঘট হবেই এমন নয়। সংগঠন এখনও আলোচনার মাধ্যমেই চুক্তিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে চায়।

তবে ইউনিয়নের অভিযোগ, প্রাদেশিক সরকারের অবস্থানের কারণে সেই আলোচনা এগিয়ে নেওয়া ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। তাদের বক্তব্য, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত স্কুলগুলোর জন্য গ্রহণযোগ্য একটি চুক্তিতে পৌঁছানোই তাদের লক্ষ্য। এদিকে, কোন কোন বিষয় নিয়ে ইউনিয়ন ও অন্টারিও সরকারের মধ্যে দর-কষাকষি করা যাবে, তা নিয়ে অন্টারিও লেবার রিলেশনস বোর্ডের পর্যালোচনা এখনও চলছে। ফলে বৃহৎ শিক্ষা ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে প্রদেশের আলোচনা কার্যত থমকে রয়েছে।

ইউনিয়নগুলোর অভিযোগ, স্থানীয় পর্যায়ের কর্মপরিবেশ ও অন্যান্য নির্দিষ্ট সমস্যাকে কেন্দ্রীয় দর-কষাকষির আওতায় আনার ক্ষেত্রে শিক্ষামন্ত্রী পল ক্যালান্দ্রার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এই বিষয়গুলোর নিষ্পত্তি এবং আলোচনায় অগ্রগতি না হলে আগামী দিনে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সোহেলি আহমেদ সুইটি : লোকাল জার্নালিজম ইনিশিয়েটিভ রিপোর্টার

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles