
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা সাইদা ফকিরকে বাংলা ভাষায় কথা বলা ও মুসলিম পরিচয়ের কারণে অবৈধ বাংলাদেশি সন্দেহে বাংলাদেশে পুশইন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, বৈধ নাগরিকত্বের কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই তাকে সীমান্ত পার করে দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৯ জুলাই মুম্বাইয়ে বাজারে যাওয়ার সময় সাইদা ফকিরকে পুলিশ আটক করে। পরে তাকে আসামের একটি হোল্ডিং সেন্টারে নেওয়া হয় এবং ২৩ জুলাই বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে পুশইন করা হয়। পরিবারের ভাষ্য, বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরা এলাকায় অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকে ভিডিও কলে ভারতে ফেরার আকুতি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় সাইদা ফকিরের পরিবার এবং মানবাধিকার সংগঠন বাংলার মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ (মাসুম) কলকাতা হাইকোর্ট-এ মামলা করেছে। শুনানিতে তার ভোটার পরিচয়পত্র, প্যান কার্ড, জন্মনিবন্ধন সনদ ও পৈতৃক জমির দলিল ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে আদালত এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।
উল্লেখ্য, এসব অভিযোগ সংশ্লিষ্ট পক্ষের দাবি ও আদালতে উপস্থাপিত আবেদনের ভিত্তিতে সামনে এসেছে। মামলার বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত রায় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক অবস্থান এখনও জানা যায়নি।

