
দশ লাখ টাকা দেনমোহরে কারাগারে ইডেনের ছাত্রীকে বিয়ে করেন মাঈনুল আহসান নোবেল। কারা ফটকে অনুষ্ঠিত নোবেল ও সেই নারীর বিয়েতে সাক্ষী হিসেবে দুজনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন নাজমা হোসেন, সাবিহা তারিন, খলিলুর রহমান ও সাদেক উল্লাহ ভূঁইয়া।
কিছুদিন পরপরই নানা বিতর্কে আলোচনায় উঠে আসে নোবেলের নাম। শুধু তাই নয়, একের পর এক বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দিয়ে বরাবরই সমালোচিত হন। তবুও নিজেকে সামলে উঠতে পারেননি জি বাংলার সারেগামাপা দিয়ে পরিচিতি পাওয়া এই নোবেল।
কিছুদিন আগেই এক নারী তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনায় ফের তুমুল সমালোচিত হন এই গায়ক।
এরই মধ্যে সেই নারীর করা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে গত ২০ মে থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন নোবেল।
ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার গায়ক নোবেলকে বিয়ে করার অনুমতি দেন আদালত। নোবেলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তার গত বুধবার এ আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে কারা ফটকে নোবেলের সঙ্গে ধর্ষণ মামলার বাদী সেই নারীর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।
এর আগে ২০১৯ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর নোবেলের বিরুদ্ধে প্রথম ধর্ষণের মামলা হয়। চট্টগ্রামের এক তরুণী পাঁচলাইশ থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করেন।
ধর্ষণের মামলার রেশ কাটতে না কাটতেই ওই বছরের ১৫ নভেম্বর সালসাবিল মাহমুদকে ভালোবেসে বিয়ে করেন নোবেল। পরে দুজনের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ ও ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার ঘটনা ঘটে। দুজনই একে অন্যের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে গণমাধ্যমের শিরোনাম হন। একপর্যায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে তাদের।

