
যদি বুকের সবটাই জুড়ে আগুন জ্বলে, আর সে জ্বলায় যদি এক ফোঁটাও পানি পড়ে তবে সেটাতে শান্তির গভীরতার স্বাদ পাওয়া যায়।
এসব কথা বলছি কেন তা একটু পরেই ব্যাখ্যা করতেছি। তার আগে যে ছবিগুলো দিয়েছি সেটা ভালো করে একটু দেখে নিন।
এই ছবিগুলো আমি ডাইরেক্ট আলজাজিরাইংলিশ চ্যানেলের ভিডিও থেকে ফটো তুলেছি। আপনারা হয়তো অনেকেই ভিডিওটা দেখেছেন।
ভিডিওতে কী দেখা যাচ্ছে?
দেখা যাচ্ছে যে, আজ ১৭ই জুন হি স রা ই লের Herzliya তে ইরান একটা বিগ পাউয়ারের এ য়া র স্ট্রা*ই ক করেছে। আর এই হা*ম* লা ইরান করেছে সরাসরি হি স রা ই লে র intelligence বিল্ডিং এ। সবাই বলেন আলহামদুলিল্লাহ!
বলার কারণ হলো, এই হা*মলায় একেবারে হি স রা ই লের intelligence ভবনের এক বিশাল ক্ষতি হয়েছে। বলতে পারেন ছারখার হয়েছে। আর এই ভিডিওটা বিস্তারিত দেখিয়েছে আলজাজিরাইংলিশ চ্যানেল। আর এই হা*ম*লার কারণে হি স রা ই লির মিলিটারি ভবনের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে সেটা আলজাজিরা কনফার্ম করেছে।
ভিডিওতে যা দেখলাম, আকাশ থেকে ছুড়ে এসে পড়ল বড়ো বড়ো মি সা ই ল বিকট শব্দ করে। আর পড়েছে নাকি একেবারেই ঐসব হি স রা ই লির বুদ্ধিমান বা ইন্টেলিজেন্ট যাদের বলা হচ্ছে তাদের নাকের ওপরে। মানে তাদের বিল্ডিংয়ের ওপরে। যেটা বলা হচ্ছে it’s belonging to the military intelligence division.
আর যাবা কোথায়? সঙ্গে সঙ্গে দাউদাউ করে আগুন জ্বলে উঠল।
সবচেয়ে মজার কথা শোনেন, এই ভিডিও আবার হি স রা ই লি প্লাটফর্মে পোস্ট করা হয়েছিল। তাদেরই এক গাধা হয়তো পোস্ট করেছিল কারণ, বুদ্ধিমানরা তো আগুনে ছিল। তো পরে হয়েছে কী, সেই পোস্ট হি স রা ই লের কোন এক বুদ্ধিমান এসে ডিলিট করে দিছি। হা হা হা।
এই হা*ম*লায় একটা 700m মোশাদ ইনটেলিজেন্স কোয়ার্টার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আর এসব ইমেজ বা ভিডিও ও ইনফরমেশন প্রকাশে নিষিদ্ধ করেছে হি স রা ই লের consor।
এখন আসেন কিছু অনুভূতি মিশ্রিত আলোচনায়:
আজ একটা বিবিসিরইংলিশ চ্যানের নিউজে দেখার সময় উক্ত রিপোর্টারের একটা কথা আমার বাস্তব মনে হয়েছে। ঐ মহিলা রিপোর্টার বলেছেন, “যা ঘটছে তার অনেক কিছুই মিডিয়ায় নেই। অনেক ইনফরমেশন আমাদের জানা নেই। কারণ, প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা আছে”
আমি বলব, যতটুকু দেখা যাচ্ছে তাতে দু’পক্ষেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ও হচ্ছে। ইরানে এমনটা হবে সেটা আশ্চর্যের কোনো বিষয় নয়। কারণ, ট্রাম্প অনেক আগে থেকেই নোটিফিকেশন চালাচালি করতেছেন। তিনি এই হা*মলার দায়িত্ব হি স রা ই লে র ওপরে দিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু হি স রা ই ল যখন বাস্তবায়ন করেছে তখন ট্রাম্প সেকেন্ড-সেকেন্ডে জবান পাল্টে পল্টিবাজের ভূমিকায় আছেন। দায়িত্ব দিলেও পরে তিনি দ্বায় নিতে চান নি। ট্রাম্প এখন বলেন excellent, তো একটু পরে বলেন, আমি কিছুই জানি না। আবার বলেন, দাঁড়াও আমেরিকার Bম ইরানে পড়বেয়ানে, আবার বলেন, আমি যুদ্ধ বন্ধের দিকে আগাইতে চাইতেছি। এমন ম্যাডনেসের কারণে বর্তমানের সিচুয়েশন দাবার গুটির মতো অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে যাচ্ছে। দুই পক্ষেই থামার কোনো লক্ষণ নেই।
তবে হি স রা ই ল তার সর্বশক্তি দিয়ে ইরান ধ্বংসের কাজে লেগে আছে। সঙ্গে তো জেকের মতো আছে অবৈধ অভিভাবকের সাহায্য। আরো সমর্থনে আছে অসংখ্য মীরজাফর ও তাদের এ্যালাইস।
এ সমীকরণ অত্যন্ত সোজা। বর্তমানে একদম একা লড়ছে ইরান। একদম একা। ঐসব রাশিয়া-চীন-পাকিস্তান-তুরস্ক কনডেম জানালে কী হবে?
আমেরিকা যেমন হাত মিলিয়ে মাঠে নেমেছে তেমনভাবে কেউই নেই ইরানের পাশে-মাঠে। মুখে-মুখে সব কনডেম।
তারপরেও ইরান একাকী যতটুকু এ পর্যন্ত করেছে এটা দেখার অপেক্ষায় ছিল পৃথিবীর প্রকৃতি পর্যন্ত। হি স রা ই লে যেসব ধ্বংসস্তূপ তা শুধু গা*তেই দেখা গেছে। আজকেও নিউজে এসেছে যে, খাবার নিতে যাওয়া গা*বাসীর ওপরে গু*লি করে মে*রে*ছে ১৭ জন বা*বাসীকে হি স রা ই লি মিলিটারি।
গতকাল রয়টার্সে একটা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। সেটাতে বেশ কয়েকজন গা*বাসীর অনুভূতি তুলে ধরা হয়েছে। ঐসব গা*বাসী বলেছেন, আজ আমরা হি স রা ই লের বুকে যে ধ্বংসস্তূপ দেখতেছি, তা তারা গা*তে করেছে টানা কয়েক বছর ধরে। আজ তাদের ওপরে এই দৃশ্য দেখে শান্তি অনুভব করছি। অত্যন্ত হি স রা ই লবাসী একটুখানি ‘taste of Ga.. ” পেয়েছে।
একজন গা*বাসী বলেছেন, আমি কখনই ইরানের ফ্যান ছিলাম না। কারণ, আমাদের ওপর যা ঘটেছে সে সময়ে ইরান ও আরব বিশ্বের ভূমিকা অত্যন্ত নিন্দায়ীয় ছিল।
অর্থাৎ তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, মুসলিম বিশ্ব যাদের মিলিটারি পাউয়ার আছে তারা সবাই বসে মজা দেখেছে।
যাই হোক, ইরানের অনেক পরমাণু বিজ্ঞানী মা*রা গেছে। পরবর্তী টার্গেট খামেনি। তবে এ কর্মকাণ্ড থেকে নিজের গা বাঁচাতে ট্রাম্প বলে বেড়াচ্ছেন, supreme নেতাকে মা*রা এ কাজ করা ঠিক হবে না আমি বলেছি বন্ধুকে। আবার কখনো বলছেন, আমি হি স লা ই লের এই হাম*লা জানতাম না।
এদিকে হি স রা ই ল এর নেতা বলেছে যে, ট্রাম্প সবই জানতেন। নেতা আমেরিকাকে কাম-কাম করতেছে বিশালাকারে মাঠে নামতে। আমেরিকা তো নেমেই আছে মাঠে।
এদিকে ইরান কাম-কাম করতেছে মুসলিম বিশ্বকে মুসলিম এ য়া র ফোর্স গঠন করার জন্য। কিন্তু কে শুনে কার কথা? কাতার ব্যস্ত ট্রাম্পকে প্লেন দিতে, সৌদি ব্যস্ত ট্রাম্পের রাজকীয় আপ্যয়ন করতে। আরো কতো কী।
এদিকে নিজেই ইরানের ওপর প্রথম হা*ম*লা চালিয়ে গিয়ে নেতানিয়াহু সাপোর্ট নেওয়ার জন্য দুইজনের কাছে ফোন করেছেন প্রথম দিনই। এক হলো ট্রাম্প আর দুই হলো ভারতের মোদি।
এই দানব নেতা জানে কারা তার বন্ধু ও সাহায্য করে মুসলিম নিধনে।
কিন্তু ইরানও তো সাহায্য চাচ্ছে কে এগিয়ে আসছে?
তাই ইরান নিজের যোগ্যতায় যা করেছে তা এ কারণেই প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য যে, গা*র মতো একটা ইমেজ হি স রা ই লের বুকের ওপরে এঁকে দিয়েছে।
হি স রা ই লে র যে বিরোধীদলীয় নেতা, তার ইন্টারভিউ নিয়েছে বিবিসি হি স রা ই লে র ধ্বংসস্তূপের পাশে দাঁড়িয়ে। বিবিসির রিপোর্টার বলেছেন, যে বিল্ডিংয়ে ইরান Bম মেরেছে সেখানে তার বিরোধী দলীয় নেতার মেয়ে ও এক বছর বয়সি নাতি থাকত। সে বিল্ডিং ধ্বংস এখন। হি স রা ই লে র বিরোধী দলীয় নেতা বলেছেন, আমরা হা*ম লা চালিয়েই যাব। আমেরিকা আসুক, আর না আসুক।
আল্লাহ মুসলিমদের সাহায্য করুন।
আল্লাহ আপনাদের সুস্থ রাখুন
টরন্টো, কানাডা

