
এয়ার ইন্ডিয়ার উড়োজাহাজ বিধ্বস্তে ভুক্তভোগীদের ব্র্র্যাম্পটনের একটি মন্দিরে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রার্থনার করা হয়েছে। বোয়িং ৭৮৭ উড়োজাহাজের লন্ডনগামী ফ্লাইটের ২৪১ জন যাত্রীর প্রার্থনায় লোকজন হিন্দু সভা মন্দিরে উপস্থিত হন। গুজরাটের রাজবধানী আহমেদাবাদ থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই উড়োজাহাজটি মেডিকেল কলেজের একটি হোস্টেলের ওপর ভেঙে পড়লে একজন বাদে সব যাত্রী নিহত হন। নিহতদের মধ্যে চারজন মেডিকেল শিক্ষার্থীও রয়েছেন।
ফ্লাইটটিতে কানাডার একমাত্র নাগরিক ছিলেন ৩২ বছর বয়সী নিরালি প্যাটেল। ইটোবিকোকে স্বামী ও ছেলেকে নিয়ে বসবাস করতেন তিনি। তিনি মিসিসোগায় ডেন্টিস্ট হিসেবে কাজ করতেন।
মন্দিরের প্রেসিডেন্ট মেহু লাগা বলেন, ব্র্যাম্পটনে বসবাসকারী প্যাটেলের বাবা-মা নিয়মিত মন্দিরটিতে এসে থাকেন। আমরা আমাদের নিজেদের পরিবারের সদস্যকে হারিয়ে ফেললাম। সব হিন্দু ডেভোটি আমাদের পরিবারের সদস্য। সুতরাং, সবার জন্যই এটা খুব হতাশার। এখনো তিনি শোকের মধ্যে রয়েছে এবং যা ঘটেছে তা একেবারেই বিশ্বাসযোগ্য নয়।
তিনি বলেন, আমরা পরিবারের প্রার্থনার জন্য সমবেত হয়েছি। সেই সঙ্গে সেইসব পরিবারগুলোর জন্য জড়ো হয়েছি যারা তাদের স্বজনদের হারিয়েছে। এটা খুবই বেদনার।
একজন পারিবারিক বন্ধু বৃহস্পতিবার সিটিভি নিউজকে বৃহস্পতিবার বলেন, প্যাটেল চার অথবা পাঁচদিনের জন্য বারত সফরে গিয়েছিলেন।
মন্দিরের সাবেক প্রেসিডেন্ট অশোক কাপুর বলেন, এই দুর্ঘটনায় বহু সদস্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রার্থনাটির আয়োজন জরুরি ছিল। এই সন্ধ্যার উদ্দেশ্য হচ্ছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে যেন ঈশ^র শক্তি দেয় সেই প্রার্থনা করা।
জরুরি বহির্গমন দরজা দিয়ে লাফ দেওয়ায় উড়োজাহাজের একজন যাত্রী বেঁচে গেছেন। তবে তার শরীর পুড়ে গেছে ও আঘাত পেয়েছেন। বেঁচে যাওয়া যাত্রী বিশ^কুমার রমেশ শুক্রবার ভারতের জাতীয় সম্প্রচার মাধ্যমকে বলেন, তিনি যে বেঁচে আছেণ এখনো তার বিশ^াস হচ্ছে না।

