
ড. মোহাম্মদ ইউনূস এখন লন্ডনে আছেন আপনারা জানেন।
সেখানে নানা রকম কর্মকাণ্ড ঘটতেছে। শোনা গেছে আওয়ামীলীগ নাকি ড. ইউনূসের হোটেলের সামনে এসে গোলযোগের চেষ্টা করেছে।
ওদিকে, ড. ইউনূসের সঙ্গে তারেক রহমানের দেখা করা ও মিটিং নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গন বেশ সরগরম আছে। তারেক নাকি ড. ইউনূসের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন।
সবার ধারণা তিনি ভোটের ব্যাপারেই কথা বলবেন। যেহেতু তিনি বলেছিলেন ‘ ডিসেম্বরেই নির্বাচন হতে হবে।’
এদিকে বিন্পির নেতারা বলেছেন ড. ইউনূসের ঘোষণা এপ্রিলে নির্বাচনের তারিখ জনগণ মেনে নেয় নি বা পছন্দ করে নি।
এখন আসুন লন্ডনের দিকে:
আপনারা হয়তো দেখেছেন, লন্ডনে অবস্থিত বেশ বড়ো একটা বাঙালি কমিটি সবাই ড. ইউনূসকে স্বাগত জানাতে জড়ো হয়েছেন।
এসব জনগণের সবারই চাওয়া হওয়া এখন কোনো নির্বাচন না। আগে সংস্কার, পরে নির্বাচন।
এই জনগণগুলো কারা?
ইনারা তো মনে হচ্ছে বিন্পি না। আওয়ামীলীগ তো না-ইই। অন্য পার্ট জামায়াত বা এনসিপি? তাও তো মনে হচ্ছে না।
সমবেত হওয়া অসংখ্য মানুষ সবারই একই চাওয়া দেশে আগে একটা সুষ্ঠু সংস্কার হোক। অন্যান্য দেশের প্রবাসীদেরও এমনটা মনের কথা হবে তা অনেকটাই বিশ্বাসযোগ্য।
এখন আপনারা যারা কোনো দল করেন না তারা কী চান কমেন্টে জানাবেন। এটা একটা ভোট।
১. নির্বাচন
২. সংস্কার (যতদিন লাগে)
এবার আসেন একটু আলোচনা করা যাক।
ড. ইউনূসকে আরো শক্ত হতে হবে বা হওয়ার দরকার ছিল এটাতে কোনো মতবিরোধ নেই।
ওনার যেসব কাজের ওপর অবশ্যই অবশ্যই অত্যন্ত জোর ও দ্রুত শেষ করতে যা যা করার দরকার তা করা কর্তব্য ছিল শুধু দরকার না।
যেমন; হাসিনার বিচার কাজের জন্য আরো যা-যা করলে দ্রুত হতো সেটা করা উচিত ছিল আগে। এখনো করা উচিত।
নির্বাচন কমিশনকে একেবারে ঢেলে সাজানো ও জনগণকে পরিস্কারভাবে দেখানো কী করা হলো। এই নির্বাচন কমিশন যদি আগের রোড ম্যাপে চলে তাহলে জুলাই আন্দোলন করে ছাত্রদের জীবন দিয়ে লাভটা হলো কী? আবারও তো নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশায় ঢেকে যাবে। ফ্যাসিস্ট গিয়ে ফ্যাসিস্ট আসবে।
যেসব দপ্তরে বর্তমানে দুর্নীতির বাণিজ্য হচ্ছে আর এসব কারা করতেছে তা সবাই জানেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।
পিলখানার হ ত ্য ার বিচার হওয়া ও অভিযুক্তদের মুখোশ খুলে দেওয়া।
আরো অনেক কিছু আছে। যা উনি কর্তব্যের সঙ্গে, কঠোরহস্তে সম্পাদন করে যেতে পারতেন। এগুলো করে না গেলে জুলাইয়ের আন্দোলনের শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি হবে।
আল্লাহ আপনাদের সুস্থ রাখুন।
টরন্টো, কানাডা

