
জনপ্রিয় দক্ষিণ ভারতীয় সঙ্গীত পরিচালক অনিরুদ্ধ রবিচান্দের সান গ্রুপের চেয়ারম্যান কালানিথি মারানের কন্যা কাব্য মারানের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তাঁরা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সম্পর্কে রয়েছেন এবং এখন বিয়ের কথা ভাবছেন বলে শোনা যাচ্ছে। রেডিটে তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে একটি ভাইরাল পোস্টের পর জল্পনা তীব্র হয়েছে।
আইপিএলের উত্তাপ মাঠ থেকে অনেক আগেই মিলিয়ে গিয়েছে। কিন্তু আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু থেকে সরেননি সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কর্ণধার কাব্য মারান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এখন পর্যন্ত কাব্য মারান বা অনিরুদ্ধ রবিচন্দর কেউই এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন অনিরুদ্ধর কাকা ও বর্ষীয়ান অভিনেতা ওয়াই জি মহেন্দ্র।
কাব্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘এত কম বয়সে যে দক্ষতার সঙ্গে তিনি বিশাল ব্যবসা এবং একটি আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি সামলাচ্ছেন, তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। একই সঙ্গে তিনি মনে করেন, কাব্য ও অনিরুদ্ধ একসঙ্গে খুব ভালো জুটি হতে পারেন।
মহেন্দ্র বলেন, ‘অনিরুদ্ধ খুবই শান্ত স্বভাবের ছেলে। আমি যা শুনেছি, তাতে মনে হচ্ছে ওদের বিয়ে হতে পারে। কাব্য সাধারণ কোনো মেয়ে নয়। এত বড় একটি দল সামলানোর ক্ষমতা ওর আছে।
বাবার ব্যবসায়িক দক্ষতাও ও উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। আমার মনে হয়, দুজনকে একসঙ্গে খুব ভালো মানাবে।’
যদিও এই মন্তব্যের পর জল্পনা আরো বেড়েছে, তবু এখন পর্যন্ত দুই পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।
ভারতের সংগীত দুনিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় নাম অনিরুদ্ধ রবিচন্দর। ২০১১ সালে তাঁর গাওয়া ও সুর করা ‘হোয়াই দিস কোলাভারি ডি’ গানটি বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তুলেছিল। সেই একটি গানই তাঁকে রাতারাতি কোটি কোটি মানুষের কাছে পরিচিত করে তোলে। তার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ‘জেলার’, ‘জওয়ান’, ‘লিও’, ‘জার্সি’-সহ একাধিক বড় ছবিতে সুর দিয়ে তিনি নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন। বর্তমানে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সফল সংগীত পরিচালকদের একজন হিসেবে ধরা হয় তাঁকে।
অনিরুদ্ধর পরিবারও দীর্ঘ দিন ধরে শিল্প ও সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে। দক্ষিণ ভারতের কিংবদন্তি অভিনেতা রজনীকান্ত তাঁর কাকা। ঐশ্বর্য রজনীকান্ত, সৌন্দর্য রজনীকান্ত ও হৃষীকেশ তাঁর আত্মীয়। এ ছাড়া তাঁর প্রপিতামহ কে. সুব্রহ্মণ্যম ছিলেন সম্মানিত চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং পরিবারের আরো অনেক সদস্য শিল্প-সংস্কৃতির জগতে বিশেষ অবদান রেখে গিয়েছেন।

