-8.2 C
Toronto
সোমবার, জানুয়ারী ২৪, ২০২২

ধর্ষকের সঙ্গে ওই পর্যটকের পরিচয় থাকা সন্দেহজনক, বলছে পুলিশ

- Advertisement -
ছবি সংগ্রহ

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের পুলিশ সুপার জিল্লুর রহমান বলেছেন, পর্যটককে ধর্ষণের মূলহোতা ও মামলায় অভিযুক্ত আশিকুল ইসলাম আশিক কক্সবাজার শহরের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। তিনি ১৬টি মামলার আসামি। ধর্ষণের শিকার নারী পর্যটকের সঙ্গে পূর্ব পরিচিত ছিলেন আশিক। এ ধরনের একজন অপরাধীর (আশিকের) সঙ্গে বাইরের আরেকজন নারীর পরিচয় থাকা সন্দেহজনক।

তিনি বলেন, আমরা বিষয়টি খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি এবং ঘটনার গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করছি। শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক জরুরি বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।

- Advertisement -

গত বুধবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সংঘবদ্ধ একটি চক্র কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্ট থেকে ২৫ বছর বয়সী ওই পর্যটককে তুলে নেয়। তারা তার স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে ও হত্যার হুমকি দিয়ে কয়েক দফা ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। পরে খবর পেয়ে গভীর রাতে জিয়া গেস্ট ইন নামের এক হোটেল থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে র‌্যাব। এ ঘটনায় হোটেলের ব্যবস্থাপক রিয়াজ উদ্দিন ছোটনকে আটক করেন র‌্যাব সদস্যরা।

ঘটনার পরদিন বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই নারীর স্বামী চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও তিনজনের বিরুদ্ধে কক্সবাজার থানায় মামলা করেন। আসামিদের মধ্যে ব্যবস্থাপক রিয়াজও রয়েছেন। আসামিরা কক্সবাজার শহরসহ জেলার বিভিন্ন স্থানের বাসিন্দা।

এ ঘটনায় পুলিশ হোটেলের ব্যবস্থাপক রিয়াজ উদ্দিন ছোটন ছাড়া আর কাউকে এখনও আটক করতে পারেনি।

পুলিশ সুপার জিল্লুর রহমান জানান, আশিকের বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হত্যা, ছিনতাই, নারী ও শিশু নির্যাতন, অস্ত্র, মাদকসহ মোট ১৬টি মামলা রয়েছে। সবশেষ গত ৭ নভেম্বর একটি ছিনতাই মামলায় পুলিশ আশিককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। পরে চলতি মাসে জামিনে বের হয়ে আসেন।

এদিকে শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে জেলার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম হামীমুন তানজীনের আদালতে হাজির হয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন ধর্ষণের শিকার ওই নারী পর্যটক।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক রুহুল আমিন জানান, মামলার নিয়ম অনুযায়ী ভুক্তভোগীকে আদালত আনা হয়। এ সময় তিনি আদালতে জবানবন্দি দেন। এর আগে দুপুর ২টার সময় ওই নারী ও তার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। বর্তমানে তারা ট্যুরিস্ট পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles