-11.7 C
Toronto
বুধবার, জানুয়ারী ২৬, ২০২২

দেশে নির্বাচন নির্বাচন খেলা আর হবে না: ফখরুল

- Advertisement -
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ দেশে নির্বাচন নির্বাচন খেলা আর হতে দেওয়া হবে না। নিরপেক্ষ সরকারের অধীন ছাড়া বিএনপি নির্বাচনে যাবে না।

তিনি বলেন, এই দাবি আদায়ের জন্য প্রয়োজনে একাত্তর সালে যেভাবে দল-মত-ধর্ম নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল দেশবাসী, ঠিক একইভাবে যুদ্ধ করে বর্তমান অবৈধ সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে।

- Advertisement -

বিএনপি মহাসচিব আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, সেই দিন আর বেশি দূরে নয়।’

বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন উপলক্ষে বিএনপির সিলেট বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির উদ্যোগে শনিবার সিলেটের রেজিস্ট্রি মাঠে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস বিকৃতি করেছে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল। স্বাধীনতাযুদ্ধ কোনো একজন ব্যক্তি বা দল করেনি। এ দেশের সর্বস্তরের মানুষ দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে একাত্তর সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে। কিন্তু শহীদ জিয়াউর রহমান ও আতাউল গনি ওসমানীসহ অনেক বীরদের অবদান স্বীকার করে না আওয়ামী লীগ।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ১৫ ডিসেম্বর সিলেট শত্রুমুক্ত করতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। কিন্তু জোর করে ক্ষমতায় থাকা এই সরকার প্রকৃত ইতিহাস মুছে দিয়ে একটি ভ্রান্ত গল্প নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে চায়।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, আমাদের স্বপ্ন ছিল একটি গণতান্ত্রিক দেশ গড়ার। কিন্তু সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দিয়েছে বর্তমান সরকার। এ দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়ে গেছে। গুটিকয়েক মানুষ সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় কোটি কোটি টাকার মালিক হচ্ছে। কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছে। দেশে আজ গণতন্ত্রের কবর রচনা করা হয়েছে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ফাঁসিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশেও যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী প্রমুখ।

এদিকে সমাবেশের শুরুর দিকে স্লোগান দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। এতে সমাবেশস্থল ও আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles