বাড়ি-ঘরে ফিরছেন ম্যানিটোবার হাজারো বাসিন্দা

বাড়ি-ঘরে ফিরছেন ম্যানিটোবার হাজারো বাসিন্দা - the Bengali Times
অনুকূল পরিবেশ ম্যানিটোবা প্রদেশকে দাবানল পরিস্থিতি ভালোভাবে সামাল দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে

অনুকূল পরিবেশ ম্যানিটোবা প্রদেশকে দাবানল পরিস্থিতি ভালোভাবে সামাল দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। এর অর্থ হলো সরিয়ে নেওয়া আরও বেশি সংখ্যক মানুষ তাদের বাড়ির পথে রয়েছেন। উত্তরপশ্চিমের শহর ফ্লিন ফ্লোনের বাস্তুচ্যুতরা বুধবার বাড়ি-ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন।

২৮ মে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হওয়ার পর থেকে উইনিপেগে বসবাস করছেন নোয়েলে ড্রিমি ও তার পরিবার। এর অর্থ হলো প্রায় এক মাস পর প্রথমবারের মতো তারা বাড়িতে ফিরছেন। সোমবার সকালে তিনি বলেন, সবকিছুই সিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী চলবে বলে আমি আশাবাদী। দুই সন্তানসহ তার পরিবারের জন্য যেসব সামগ্রী প্রয়োজন সেগুলোর সরবরাহ নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন।

- Advertisement -

তিনি বলেন, হাসপাতালের সেবা নিয়ে আমি কিছুটা চিন্তিত। আমি জানি যে আমাদের দারুণ একটি এআর টিম রয়েছে এবং আমাদের নিরাপদ রাখতে তারা সম্ভাব্য সবকিছুই করতে যাচ্ছেন।

কয়েক সপ্তাহ ধরেই বাড়ি ফেরার জন্য উদগ্রীব ড্রিমি। তবে তিনি জানেন না বাড়িতে ফিরে তিনি কী দেখবেন। ড্রিমি বলেন, ফ্রিজ এবং ফ্রিজারের কী অবস্থা তা আমরা জানি না। কারণ, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মতো ঘটনা ঘটেছে। তবে সবকিছু স্বাভাবিক হয়েছে বলে এরই মধ্যেবাড়ি ফেরা লোকদের কাছ থেকে আমি শুনেছি।

ড্রিমির বাড়িটি যে ভালো আছে সেটা তিনি জানতে পেরেছেন। যদিও অন্যরা এতটা ভাগ্যবান নন। ফ্লিন ফ্লোনের দক্ষিণপশ্চিমে সাস্কেচুয়ানের ডেনায়ার বিচের বেশ কিছু কাঠামো ভষ্যিভূত হয়ে গেছে। সিন্ডি পেডওয়েল বলেন, আগুন বাড়ির ভেতরে চলে আসায় ডোরবেল ক্যামেরাটি পুড়তে দেখে তার অসহায় লেগেছে। এটা সত্যিই খুব বিপর্যয়কর এবং হৃদয়বিদারক। ২০০৪ সালে বাড়িটি নির্মাণের পর থেকে আমরা সেখানে বসবাস করে আসছি।

মে মাসের শেষ দিকে ঘর-বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হওয়ার পর সন্তানদের নিয়ে সাস্কেচুয়ানে বসবাস করছিলেন পাওয়েল ও তার স্বামী। তিনি কেবল তার বাড়িটিই হারাননি কমিউনিটি খালি করার আদেশের পর থেকে ফ্লিন ফ্লোনে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটিও বন্ধ। জুলাইয়ে তিনি তার কাপড়ের স্টোরটি খোলার পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু ফ্লিন ফ্লোনে ফেরার ক্ষেত্রে কোনো তাড়াহুড়ো নেই।

দাবানলের কারণে ম্যানিটোবার ২১ হাজারের বেশি মানুষ ঘর-বাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হন। ১২টি কমিউনিটি এখনো খালি করার আদেশের আওতায় রয়েছে। কিন্তু ৯ হাজার মানুষ এখন পর্যন্ত তাদের বাড়ি-ঘরে ফিরতে সক্ষম হয়েছেন।

রোববার পর্যন্ত ম্যানিটোবায় দাবানল ছিল ২৩টি। এর মধ্যে সাতটি ছিল নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

This article was written by Sohely Ahmed Sweety as part of the LJI.

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles