
লাগেনা ভালো এই ভয়বহ রক্তাক্ত ঈদের কর্মকান্ড সেই ছেলেবেলা থেকে। তবে এই ঈদে রান্না হয় দারুণ মজাদার। ঈদের খাওয়া খেতে কিন্তু ভালো-খারাপ লাগালাগি নেই। ঈদের দিন প্রথম খাদ্যডাক প্রিয় শহিদুল ইসলাম মিন্টুর বাড়ি থেকে।
এরপর আমার ছোট ভাই সৈয়দ আনোয়ারের বাসায় রাতের খাবার কথা। তবে মাঝে ২ঘন্টা গ্যাপ। ঠিক তখনি আমার প্রিয় রিজেন্টপার্কের দুলাল কল করে আমন্ত্রণ। খাপে খাপ ২ ঘন্টায় গিয়ে টরন্টো বাংলা টাউনের কাছে ভাইয়ের বাসায় ফিরে আসবো।

ঈদের পরের দিন টরন্টোর বাংলাদেশ কনসুলেট প্রধাণ মাননীয় ফারুক হোসেন ডাকলেন ডিনারে তার সরকার দেয়া ভবনে। বাড়ি না বলে ভবন বলার কারণ টরন্টোর দামী আবাসিক এলাকা বেভিউতে বাড়িটি প্রায় প্যালেসের মত। সামনের লনে একটু উঁচু জায়গায় বড় মাস্তলে লাল সবুজ বাংলাদেশের পতাকা বাতাসে দুলছে। দেখে মনটা ভরে যায়।
আমরা গরীব দেশ হই কিংবা মধ্যম আয়ের দেশ হই তা বাইরে দেখাতে যাবো কেন! বাইরে আরো সব দেশের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সমানে-সমান। ভাই আনোয়ার আর দুলালের বাসায় কথা বলতে এতটাই মগ্ন ছিলাম যে ছবি তোলা হয়নি।
স্কারবোরো, কানাডা

