
পরিষ্কার পরিছন্নতা ঈমানের অঙ্গ বা অর্ধেক ঈমান আমাদের অর্থ্যাৎ মুসলমানদের হাদিসে আছে, তাছাড়া ইংরেজিতেও “Cleanliness is next to godliness” বাক্যটি বহুল পরিচলিত। এর বাইরে আমার মনে হয় অধিকাংশ ধর্মে, সমাজে, সম্প্রদায়ে এর গুরুত্ব সমন্ধে বলা হয়েছে।
এবং আমার ধারণা এই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বলতে শুধু যে ঘর বাড়ি বা পরিবেশের পরিচ্ছনতার কথা বলা হয়েছে তা ঠিক না, আমাদের অন্তরের বা মগজের পরিছন্নতার কথাও বলা হয়েছে, কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় যে আমরা সেটি জানলে বা বুঝলেও ঠিকমতো পালন করি না এবং প্রায়ই
একটি মনগড়া যুক্তি দাঁড় করিয়ে ফেলি, যেমন “কেউ করছে না, আমি কেন করবো বা আমার একা করে কি হবে” ?
আমার অপকর্মটাকে সংশোধন না করে সেটিকে উপেক্ষা করে “তুমিও তো করো না বা সেও তো করে না” এই বলে যুক্তি দাঁড় করিয়ে নিজের দায় এড়িয়ে যাই। ।
এই বিষয়ে ল্যাটিন ভাষায় “Tu quoque” বলে একটি কথা আছে।
এই যে আমি এগুলি বলছি, আমিও কি শতভাগ এর উর্ধে উঠতে পেরেছি, না পারি নি, তবে পার্থক্য এইটাই যে আমি জিনিষ্টা সমন্ধে ওয়াকিবহাল এবং এর প্রতিকারের চেষ্টা করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত , এবং যতদূর সম্ভব আসে পাশের মানুষদেরকে সুযোগ পেলে সচেতন করার চেষ্টা করি।
আসুন আমরা সবাই নিজের শরীর, মন, ঘরবাড়ি এবং আশেপাশের পরিবেশের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে অন্তত চেষ্টা করি।
২০ জনের মধ্যে ১৯ জন্যই যদি চিপস বা প্লাস্টিক বোতলের পানি খেয়ে বোতল বা চিপসের ব্যাগটি যত্র-তত্র ফেলে রাখে, একজন হলেও আমি যেন সেটি না করি। আপনি মনে করতে পারেন এতে আর কি হবে, হাঁ হবে অনেক কিছুই হবে।
ঠিক তেমনি অন্যের দিকে না তাকিয়ে আসুন আমরা আমাদের নিজের অন্তরটাকে সময়মত পরিষ্কার করি।

