
অস্থায়ী বিদেশি কর্মী কর্মসূচির অবসান চেয়ে পিটিশন শুরু করেছেন কনজার্ভেটিভ এমপি জামিল জিভানি। পিটিশনে বলা হয়েছে, অস্থায়ী বিদেশি কর্মী কর্মসূচি অস্থিতিশীল অভিবাসনের সবচেয়ে বড় কারণ। কর্মসূচিটি কানাডিয়ানদের কাছ থেকে চাকরি ছিনিয়ে নিচ্ছে এবং মজুরি দমিয়ে রাখছে।
পিটিশনের ব্যাপারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা এক ভিডিওতে তিনি চিকিৎসক সংকট, হাসপাতালে ভিড়, আবাসন সংকট এবং চ্যালেঞ্জিং চাকরির বাজারের সঙ্গে অভিবাসনের সম্পর্ক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে স্পষ্ট মতৈক্য রয়েছে যে, অভিবাসনের মাত্রা অটেকসইভাবে উচ্চ। কেউ হাসপাতালে গেলেই দেখতে পাবেন সেখানে যথেষ্ট সংখ্যক শয্যা নেই। কেউ যদি পারিবারিক চিকিৎসক চান পাবেন না। বাড়ি কিনতে যান দেখবেন যথেষ্ট সংখ্যক বাড়ি নেই। চাকরি খুঁজতে যান দেখবেন, আপনার জন্য হয়তো একটিও অবশিষ্ট নেই।
অন্টারিওর এই এমপি বলেন, সংসদের এটা এমন অবস্থানে পৌঁছে গেছে যে, বিষয়টি নিয়ে আপনি সেখানে দায়িত্বশীল আলোচনা করতে পারবেন না। পিটিশনে কৃষি খাতে অস্থায়ী শ্রমিকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। মৌসুমি কৃষি শ্রমিক নিয়োগ আলাদা একটি কর্মসূচির অধীনে হওয়া উচিৎ।
অন্টারিওর এই এমপি আরও বলেন, যে কারণে তিনি পিটিশনটি এনেছেন তরুণদের কমসংস্থান তার অন্যতম কারণ।
কানাডার মে মাসের জব রিপোর্ট অনুযায়ী, এপ্রিলে ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী কানাডিয়ানদের মধ্যে বেকারত্বের হার ছিল ১৪ শতাংশ।
গত বছর সরকার কানাডায় অস্থায়ী বিদেশি কর্মীর সংখ্যা কমিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছিল। এর অংশ হিসেবে যেসব মেট্রোপলিটন এলাকায় বেকারত্বের হার ৬ শতাংশের বেশি সেসব এলাকায় আবেদন গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। ২০২৫ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত অস্থায়ী বিদেশি কর্মী কর্মসূচির আওতায় সরকার বার্ষিক ৮২ হাজার কর্মী নেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
This article was written by Sohely Ahmed Sweety as part of the LJI.

