‘পাকিস্তান ধংসই এখন আইএস-কে’র মূল লক্ষ্য’

- Advertisement -
ছবি সংগ্রহ

আফগানিস্তানের জঙ্গিগোষ্ঠি ইসলামিক স্টেট খোরাসান দেশটিতে তালেবান ক্ষমতায় আসার জন্যে পাকিস্তানকে দায়ী করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক এক সংবাদ মাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাতকারে জঙ্গিগোষ্ঠীর এক সদস্য বলেছেন, পাকিস্তানের ধংসই এখন তাদের লক্ষ্য।

এছাড়া আইএসআইএস-কে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, যে কেউ যদি ইসলামের বিরুদ্ধে যায় বা কোরআনের বিরোধিতা করে তাকে অবশ্যই আইএসআইএস-কে মুখোমুখি হতে হবে। কঠোর ভাবে শরিয়া আইন মেনে চলার ঘোষণা দিয়েছে তারা।

- Advertisement -

আফগানিস্তানে আইএসআইএস খোরাসান (আইএসআইএস-কে) ওই সদস্যের মতে, গ্রুপটির লক্ষ্য এখন পাকিস্তানকে ধ্বংস করা। যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম কেনিউজকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে, নাজিফুল্লাহ নামে ২৪ বছর বয়স্ক এক আইএসআইএস-কে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য জানান, আফগানিস্তানে যা চলছে তার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী।

এছাড়া আফগানিস্তানেআইএসআইএস-কে’র এখন প্রধান প্রতিপক্ষ তালেবান । কে নিউজ জানাচ্ছে, নাজিফুল্লাহকে দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন সৈন্য এবং সাবেক আফগান নিরাপত্তা বাহিনী এবং তালেবান সবাই খুঁজছে।

- Advertisement -

প্রায় ৫ বছর আগে নাজিফুল্লাহ আইএসআইএস-কেতে যোগদান করেন। তিনি বর্তমানে আফগানিস্তানের কুনার প্রদেশে অবস্থান করছেন। তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী এই এলাকায় কিছু পাহাড়ি এলাকা এখন আইএসআইএস-কের নিয়ন্ত্রণে।

- Advertisement -

কে নিউজকে নাজিফুল্লাহ জানান,”আমাদের প্রথম লক্ষ্য পাকিস্তানকে ধ্বংস করা কারণ আফগানিস্তানের সবকিছুর মূল কারণ পাকিস্তান। আফগানিস্তানে গনি সরকার ক্ষমতায় থাকার সময়ে তালেবানরা বলেছিল তারা দেশের ৮০ শতাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতো। কিন্তু তারা মিথ্যা বলেছিল।

তালেবানরা কখনই ইসলামিক বিধি-বিধান বাস্তবায়ন করতে চায় না। সে কারণেই তালেবানদের বিরুদ্ধে হাতিয়ার ধরতে আমরা বাধ্য হয়েছি। আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকা নিয়ন্ত্রণ নিতে বাধ্য হয়েছি।

নাজিফুল্লাহ বলেছেন, আফগানিস্তানকে খারাপ থেকে খারাপের দিকে নিয়ে যাচ্ছে তালেবান। তালেবান আফগানিস্তানকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। নাজিফুল্লাহ আরও বলেছেন, আমরা শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করতে চাই।

তিনি আরও বলেছেন, আমাদের নবী যেভাবে জীবনযাপন করতেন, যেভাবে তিনি পোশাক পরতেন, যেভাবে হিজাব ছিল, আমরা তা বাস্তবায়ন করতে চাই। বর্তমানে আমাদের লড়াই করার খুব বেশি কিছু নেই। তবে সমর্থন পেলে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এখনই যুদ্ধ করবো।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles