20.9 C
Toronto
বুধবার, জুলাই ২৪, ২০২৪

প্রাথমিকের শিক্ষিকা চাকরি করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়, থাকেন ফ্রান্সে

প্রাথমিকের শিক্ষিকা চাকরি করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়, থাকেন ফ্রান্সে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিদ্যাকুট পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সানজিদা আক্তার কাগজেপত্রে চাকরি দেশে করলেও তিনি দির্ঘদিন যাবৎ দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

- Advertisement -

উপজেলার বিদ্যাকুট পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী ৪৫৫ জন। ওই শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষক রয়েছেন ৭ জন। তাদের মধ্যে ২৯ জানুয়ারি ২০১২ সালে অত্র বিদ্যালয়ে যোগদান করা সহকারী শিক্ষিকা সানজিদা আক্তার নিজের প্রভাব দেখিয়ে বছরের বেশির ভাগ সময়ে স্বামীর সাথে থাকেন ফান্সে। তিনি ২০২৩ সালের পহেলা জানুয়ারি ব্যক্তিগত বিশেষ অসুবিধার কারণ দেখিয়ে বহিঃ বাংলাদেশ ভ্রমণের ছুটি নিয়ে ৩০ দিনের জন্য ফ্রান্স চলে যায়।

উল্লেখিত ছুটি শেষ হলে ফ্রান্স থেকে পূনরায় দূতাবাসের মাধ্যমে ৭ মে পর্যন্ত ৩ মাসের ছুটি বর্ধিত করা হলেও কিন্তু ৮ মে ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে তাকে অনুপস্থিত দেখা যায়। এছাড়া ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক হাজিরা খাতায় ২০২১ সালে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকার ছুটি কৌশলে মঞ্জুর করে নিয়েছে বলে জানা যায়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অবসরে চলে যাওয়ায় ও সহকারী শিক্ষিকা সানজিদা আক্তার প্রবাসে থাকায় ছাত্র/ছাত্রীদের নিয়মিত পাঠ্যদানে ব্যাঘাত ঘটছে।এতে করে বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার মান নষ্ট হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিদ্যাকুট পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দেবব্রত ভট্টাচার্য জানান, শিক্ষক স্বল্পতায় বিদ্যালয়ে ছাত্র/ছাত্রীদের পাঠ্যদানে হিমশিম খেতে হচ্ছে। যদিও ছুটি সকলের অধিকার কিন্তু প্রধান শিক্ষক অবসরে চলে যাওয়ায় এমনিতেই শিক্ষকের ঘাটতি তার ওপর সহকারী শিক্ষিকার দীর্ঘদিন অনুপস্থিতিতে বিদ্যালয় সামলাতে কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বুলবুল জানান, প্রথমে সে ১মাসের ছুটি নিয়ে প্রবাসে গিয়ে পূনরায় ৩ মাসের ছুটি নিয়েছে ৭ মে পর্যন্ত। এরপর তার কোনো বৈধ ছুটি কিম্বা লিখিত ছুটির আবেদন চাওয়ার মতো আর সুযোগ নেই। এমনকি তার কোন জমা ছুটিও নেই। এখন থেকে সে একদিন অনুপস্থিত থাকলেও যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবগত করার মাধ্যমে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।তবে তার বেতন ও বিভিন্ন ভাতাদি বন্ধ রাখা হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. খুরশেদ আলম জানান, তিনি একমাসের ছুটি নিয়ে বিদেশ যান। পরবর্তীতে দূতাবাসের মাধ্যমে তিন মাসের ছুটির আবেদন করেন। এই ছুটিও শেষ হয়ে গেছে। তিনি যোগদান না করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সূত্র : ঢাকাটাইমস

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles