15.5 C
Toronto
রবিবার, জুন ১৬, ২০২৪

শিক্ষিকার ‘ছবি নগ্ন বানিয়ে’ ইন্টারনেটে ছড়ানোর হুমকির অভিযোগ, সহকর্মীর অস্বীকার

শিক্ষিকার ‘ছবি নগ্ন বানিয়ে’ ইন্টারনেটে ছড়ানোর হুমকির অভিযোগ, সহকর্মীর অস্বীকার

অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ঝালকাঠির রাজাপুরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকার ‘ছবি নগ্ন বানিয়ে’ ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছে তারই সহকর্মী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। তবে বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থাকা ওই ব্যক্তি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

- Advertisement -

এ বিষয়ে ওই শিক্ষিকা ঝালকাঠি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের অনুলিপি জেলা প্রশাসক, রাজাপুর থানার ওসি ও রাজাপুর প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে দেওয়া হয়। ঝালকাঠি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন আজ বুধবার অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ওই শিক্ষক প্রায়ই সহকর্মী ওই শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করতেন। বিভিন্ন সময় তাঁকে অনৈতিক প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হওয়ায় কৌশলে ওই শিক্ষিকার মোবাইল ফোন থেকে নেওয়া কিছু ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ছবি এডিট করে নগ্ন বানিয়ে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছেন।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ২ এপ্রিল বিদ্যালয়ে এসে ওই শিক্ষক ওয়ালিউল তাঁর নারী সহকর্মীকে বলেন, ‘আমার ফোনটি বাসায় ফেলে এসেছি, তোমার ফোনটি দাও। বাসায় ফোন করতে হবে।’ এ কথা বলে মুঠোফোনটি নিয়ে তিনি শিক্ষিকার পারিবারিক কিছু ছবি ও ডকুমেন্ট চুরি করে নিয়ে যান। এর পর থেকে তিনি ওই শিক্ষিকাকে ‘ব্ল্যাক মেইল’ করা শুরু করেন।

ওই শিক্ষিকা আজকের পত্রিকাকে বলেন, “কারণে অকারণে তিনি আমাকে ফোন দেন। বিষয়টি আমার স্বামী জানার পরে পারিবারিকভাবে সমস্যা সৃষ্টি হয়। আমি স্বামী সন্তান রেখে বাবার বাড়িতে কষ্টে জীবনযাপন করছি। আমি ওই শিক্ষকের ভয়ে এখন বিদ্যালয়ে যেতে ভয় পাচ্ছি। আমি ওই শিক্ষকের বিচার চাই।’

তবে ওই শিক্ষক অভিযোগ অস্বীকার করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওই শিক্ষিকা আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। ক্লাসের মধ্যে সে ফোনে কথা বলে। আমি নিষেধ করায় তিনি আমার ওপর খেপেছেন।’

ঝালকাঠি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘একজন শিক্ষিকা লিখিত অভিযোগ করেছেন। আমি বিষয়টি নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছি। আমি ঘটনা তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য রাজাপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছি। ঘটনার সত্যতা পেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সূত্র : আজকের পত্রিকা

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles