25.5 C
Toronto
সোমবার, আগস্ট ৮, ২০২২

শখ পূরণে ছাত্রলীগ নেতার হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে

- Advertisement -
শখ পূরণে ছাত্রলীগ নেতার হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে
ছবি সংগৃহীত

বিয়েকে স্মরণীয় করে রাখতে ও শখ পূরণে কত কিছুই না করে মানুষ। সবাই চায় তার বিয়েটাকে স্মরণীয় করে রাখতে। তেমনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতা হেলিকপ্টারে করে গেলেন কনে আনতে। এ সময় শত শত লোক ভিড় জমান। উৎসুক লোকজনের ভিড় সামলাতে ও নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনে ছিল পুলিশও।

এ জমকালো বিয়ের বর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি রিদওয়ান আনসারি রিমো। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের মুন্সেফপাড়া এলাকার এ.আর আনসারি বাবরো ও রোকসানা আনসারি পপির ছোট ছেলে।

শুক্রবার (১ জুলাই) দুপুরে জেলা শহরের অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বোর্ডিংয়ের মাঠ থেকে হেলিকপ্টারটি সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউপির সুহিলপুর বাজার মাঠে গিয়ে অবতরণ করে।

কনে তামান্না খানম চাঁদনী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের সুহিলপুর গ্রামের আক্তার খাঁনের মেয়ে। বর ও কনে উভয়ের বাড়ি একই উপজেলায় হওয়ায় এ ঘটনায় সাড়া পড়ে গেছে। সুহিলপুর গ্রামের কনের বাড়িতেই এ বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে এই বিয়ে সম্পন্নের পর বর রিদওয়ান আনসারি রিমো হেলিকপ্টারে চড়ে কনে নিয়ে জেলা শহরের বোর্ডিংয়ের মাঠে অবতরণ করে নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন।

এদিকে সুহিলপুরে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের আয়োজনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল। কৌতূহলী ও উৎসুক লোকজনের ভিড় সামলাতে পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে।

বরের বড় ভাই রাইয়ান আনসারি রিকি জানান, তারা দুই ভাই, কোনো বোন নেই। রিদওয়ান আনসারি রিমো সবার ছোট। তাই আদরের ছোট ভাইয়ের বিয়েকে স্মরণীয় করে রাখতে হেলিকপ্টারে করে বরযাত্রা ও কনে নিয়ে আসার আয়োজন করা হয়। ঢাকা থেকে ভাড়া করে হেলিকপ্টার আনা হয়।

তিনি বলেন, হেলিকপ্টার থেকে নেমে কনের বাড়ি পর্যন্ত বর ঘোড়ার গাড়িতে গেছে। আবার ঘোড়ার গাড়িতেই করেই হেলিকপ্টার পর্যন্ত এসেছে। আমাদের ব্যক্তিগত প্রাডো গাড়িও ছিল। ছোট ভাইয়ের খুব ইচ্ছে ছিল বিয়ের দিন কনের বাড়িতে হেলিকপ্টারে যাবে। সেই আশা আমরা পূরণ করেছি।

সুহিলপুর ইউপি পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ ভূঁইয়া বলেন, হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের আয়োজনে গ্রামের উৎসুক লোকজন হেলিকপ্টার ও বর-কনেকে দেখতে ভিড় জমান। গ্রামবাসীর মধ্যে এ সময় আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছিল। ব্যক্তিগত ব্যস্ততায় আমি বিয়েতে যেতে পারিনি। তবে বিষয়টি শুনেছি।

সদর থানার এসআই মো. ইব্রাহীম সাংবাদিকদের বলেন, হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের আয়োজনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল। কৌতূহলী ও উৎসুক লোকজনের ভিড় সামলাতে পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে। বিষয়টি দেখতে কৌতূহলী ও উৎসুক মানুষ সুহিলপুর বাজার মাঠে ভিড় জমিয়েছেন।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles