19.6 C
Toronto
সোমবার, জুন ২৭, ২০২২

নকলে বাধা, ৫ বছর পর শিক্ষককে পেটালেন ছাত্র

- Advertisement -

নকলে বাধা, ৫ বছর পর শিক্ষককে পেটালেন ছাত্র

৫ বছর আগে পরীক্ষায় নকলে ছাত্রকে বাধা দিয়েছেন শিক্ষক। দীর্ঘদিন সেই ক্ষোভ ফুসে রেখে ওই শিক্ষকের ওপর হামলা করেছে সাবেক এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ মে) সকালে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার টুমচর আসাদ একাডেমির গেটে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, সাবেক ছাত্রের হাতে আহত শিক্ষক হেলাল উদ্দিন (৩১) লক্ষ্মীপুরের টুমচর আসাদ একাডেমির বিজ্ঞানের শিক্ষক। তার বাড়ি জেলার সদর উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের গন্ধর্ব্যপুর গ্রামে। হামলাকারী ছাত্র মুরাদ হোসেন (২২) ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। তবে নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে সে আর পরীক্ষা দেয়নি। আর মুরাদ টুমচর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।

হামলার শিকার শিক্ষক হেলাল উদ্দিন এবং তার সহকর্মী আওলাদ হেসেন ও সুকুমার চন্দ্র অধিকারী বলেন, ৫ বছর আগের ক্ষোভ থেকে মুরাদ দলবল নিয়ে এ হামলা চালিয়েছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। থানায়ও মামলার প্রস্তুতি চলছে। আমরা হামলার বিচার দাবি জানাই।

শিক্ষক হেলাল উদ্দিন বলেন, সকালে আমি বিদ্যালয়ে যাবার সময় মোটরসাইকেল যোগে টুমচর মাদরাসার পাশে আসামাত্র মুরাদ ও তার এক সহযোগী আমার গতিরোধ করে। এ সময় সে আমাকে বলে- তোর কারণে আমার জীবন নষ্ট হয়ে গেছে। তুই নকল ধরার কারণে আমি পরীক্ষায় পাশ করিনি। তা না হলে আমি এসএসসি পাশ করতাম। এ কথা বলেই মুরাদ ও তার সহযোগি আমাকে মারধর শুরু করে। এক পর্যায়ে আমার মাথায় থাকা হেলমেট সরিয়ে মাথায় এলোপাতাড়ি ঘুষি দেয়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আমাকে তাদের হাত থেকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠায়।

হাসপাতালে ভর্তি হেলাল উদ্দিন বলেন, মুরাদ আমার বিদ্যালয় থেকে ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলো। ২০১৭ সালের নির্বাচনী পরীক্ষার সময় ইংরেজি পরীক্ষার দিন সে নকল করছিল। ওইদিন আমি পরীক্ষার হলের দায়িত্বে ছিলাম। নকল করার বিষয়টি আমি দেখে নকলটি নিয়ে ফেলে দিই এবং তাকে সর্তক করি। এর পরেরদিনও সে পরীক্ষায় অংশ নেয়। তবে নির্বাচনী পরীক্ষায় সে অকৃতকার্য হয়ে আর পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। সে ক্ষোভ থেকেই ৫ বছর পর আমার উপর হামলা করেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারজানা নুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি জানার পর আমার একজন শিক্ষককে দায়িত্ব দিয়েছি থানায় অভিযোগ দেওয়ার জন্য।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র : আরটিভি

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles