19.3 C
Toronto
সোমবার, জুন ২৭, ২০২২

কোভিড-১৯ সহায়তা কর্মসূচির সমাপ্তি

- Advertisement -
কোভিড-১৯ সহায়তা কর্মসূচির সমাপ্তি - The Bengali Times
ফেডারেল সরকারের কোভিড-১৯ সহায়তা কর্র্মসূচির মেয়াদ শেষ হয়েছে

ফেডারেল সরকারের কোভিড-১৯ সহায়তা কর্র্মসূচির মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে সময়ের অনেক আগেই এটি সমাপ্ত ঘোষণা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কানাডিয়ান ব্যবসায়ীরা। এক্ষেত্রে ভবিষ্যতে মহামারির নতুন ঢেউয়ের উচ্চ সম্ভাবনার কারণে সৃষ্ট অনিশ্চয়তাকে এক্ষেত্রে যুক্তি হিসেবে দাঁড় করাচ্ছেন তারা।

মজুরি ও ভাড়ায় ভর্তুকি, সাপ্তাহিক ৩০০ ডলারের কানাডা ওয়ার্কার লকডাউন বেনিফিটসহ গত হেমন্তে ঘোষিত সব সহায়তা কর্মসূচি শনিবার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যদিও এসব সহায়তা এখনও জরুরি প্রয়োজন বলে দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

অটোয়াতে হিন্টনবার্গ পাবলিক হাউজ রেস্টুরেন্ট ও বারের কর্ণধার সামার বেয়ার্ড বলেন, এখনও যে আমি রেস্তোঁরাটি খোলা রেখেছি তার একমাত্র কারণ এই সহায়তা। নতুন কোনো ঢেউ আসা মানে নতুন করে অনশ্চিয়তা ডেকে আনা। কারণ, প্রতিটি ঢেউয়েই লোকজনকে বাড়িতে অবস্থান করতে বলা হয় এবং খুব প্রয়োজন হলেই কেবল তারা বাইরে বের হন। এখনও আমরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুরোদমে খুলে রাখা স্বাভাবিক ব্যবসা করার আশা করছি। আমার কাছে এর মানে হয় না। অন্টারিও এবং অন্যান্য প্রদেশে রেস্তোরাঁর ওপর থেকে বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হলেও আমার বিক্রি এখনও মহামারি পূর্ববর্তী সময়ের ৪০ থেকে ৬০ শতাংশেল মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। ইনডোর খেতে অনেকেই দ্বিধা করছেন এবং এ কারণে ব্যবসা চাঙ্গা করতে প্যাশিও চালু করেছি। কিন্তু কর্মী সংকট ও মূল্যস্ফীতির কারণে খাবারের উচ্চমূল্যের মতো ইস্যুগুলোকে এখনও মোকাবেলা করতে হচ্ছে আমাদের।

বেয়ার্ড বলেন, সহায়তার মেয়াদ আরও কয়েক মাস বাড়বে বলেই আমার প্রত্যাশা। কারণ, লোকজন ইনডোরে খেতে এখনও সেভাবে স্বাচ্ছন্দ বোধ করছেন না।

ওমিক্রন ঢেউয়ের পর গত অক্টোবরে ফেডারেল সরকার এসব সহায়তা কর্মসূচি ঘোষণা করে, যার মেয়াদ ৭ মে শেষ হয়েছে। কানাডা ইমার্জেন্সি ওয়েজ সাবসিডি (সিইডব্লিউএস) ও কানাডা ইমার্জেন্সি রেন্ট সাবসিডির (সিইআরএস) স্থলে চালু করা হয়েছিল যথাক্রমে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি রিকভারি এবং হার্ডেস্ট হিট বিজনেস রিকভারি প্রোগ্রাম। আগের কর্মসূচির অধীনে সরকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো ১০ হাজার কোটি ডলারের বেশি সহায়তা দিয়েছে। মজুরি, ভাড়া, ঋণ ও অন্যান্য ব্যয় বাবদ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের কাছ থেকে এ সহায়তা পেয়েছে। এসব কর্মসূচির স্থলে যেগুলো এসেছে সেগুলো বাবদ ব্যয় করা হয়েছে আরও ৭৪০ কোটি ডলার।

- Advertisement -

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles